থানায় থানায় বড় করে কালীপুজো! উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর বার্তার পর প্রস্তুতি তুঙ্গে
গত বছরের তুলনায় এবার আরও জাঁকজমকপূর্ণভাবে পুজো করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে খবর
Truth of Bengal: উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের আহ্বানের পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় থানায় থানায় কালীপুজো ঘিরে তৎপরতা বাড়ছে। বুধবার বীরভূমিতে জেলা পুলিশের বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে থানাগুলিতে বড় করে কালীপুজো করার বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। মন্ত্রীর সেই বার্তার পরই মুর্শিদাবাদ-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় পুলিশকর্মীদের মধ্যে পুজোর আয়োজন নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার আরও জাঁকজমকপূর্ণভাবে পুজো করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে খবর। মুর্শিদাবাদ জেলার বহু থানার ভিতরে কিংবা সামনে দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে কালীমন্দির। তবে পুলিশ রেগুলেশন অনুযায়ী, কর্তব্যরত অবস্থায় পুলিশকর্মীরা সরাসরি ধর্মীয় আচারে অংশ নিতে পারেন না। সেই কারণে এতদিন থানার কালীপুজো মূলত ‘থানার পাড়া কালীপুজো’ হিসেবেই পরিচিত ছিল। এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে পুজোর আয়োজন করতেন থানার আধিকারিকরা।
কিন্তু এবার সেই পুজোর আয়োজনের ছবিতে বদল আসতে চলেছে। মন্ত্রীর বক্তব্যকে কার্যত নির্দেশ হিসেবেই ধরে নিয়ে একাধিক থানায় বড় করে পুজোর প্রস্তুতি চলছে। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত সুতি থানার প্রাঙ্গণে থাকা বড় কালীমন্দিরে এবার বিশেষ আয়োজন করা হচ্ছে। মন্দিরের মূর্তিতে নতুন রং লাগানোর পাশাপাশি তৈরি হচ্ছে সুদৃশ্য মণ্ডপ। পুজো উপলক্ষে প্রায় ৮ হাজার মানুষের জন্য নরনারায়ণ সেবার আয়োজন করা হবে। থাকছে বস্ত্র বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও।একইভাবে শক্তিপুর থানাতেও কালীপুজো ঘিরে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে পাথরের কালীমূর্তিতে নতুন করে রং করা হচ্ছে। আগামী ১৩ অক্টোবর প্রায় ১২ হাজার মানুষের জন্য নরনারায়ণ সেবার আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়াও রঘুনাথগঞ্জ থানার জঙ্গিপুর পুলিশ ফাঁড়ি, ফরাক্কা থানা, সামশেরগঞ্জ থানা, এনটিপিসি ফাঁড়ি এবং সাগরদিঘি থানাতেও বড় করে কালীপুজোর প্রস্তুতি চলছে। ফরাক্কার এনটিপিসি ফাঁড়িতে এবার নতুন করে মন্দির নির্মাণের পাশাপাশি স্থায়ী মাতৃমূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। পুজোকে কেন্দ্র করে নরনারায়ণ সেবার আয়োজনের পাশাপাশি বাইরে থেকে নামী শিল্পীদের এনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পরিকল্পনাও রয়েছে।






