রাজ্যের খবর

Migrant Murder: উড়িষ্যায় রাজমিস্ত্রির কাজে গিয়ে খুন মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিক

A migrant laborer from West Bengal, Lokman Sheikh, was found murdered in Odisha after a minor dispute with coworkers.

Truth Of Bengal: তিনদিন রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ থাকার পর বুধবার সকালে একটি জঙ্গল থেকে রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয় এক শ্রমিকের। সামান্য বিষয় বিবাদের জেরে  খুন বলে অভিযোগ(Migrant Murder)। পরিবার সূত্রে জানাযায়, মৃত শ্রমিকের নাম লোকমান শেখ (৪৫)। বাড়ি সামসেরগঞ্জ থানার দেবীদাসপুর গ্রামে । শ্রমিকের মৃত্যুর খবরে কার্যত কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। ইতিমধ্যেই দেহ ফিরিয়ে নিয়ে আসার তৎপরতা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ Chess Worldcup: দাবা বিশ্বকাপের আসর আয়োজন করতে পেরে খুশি নমো

এদিন সন্ধ্যায় একসঙ্গে খাবার সময় মাছ ভাগ করার মতো সামান্য বিষয় নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গেই বচসা হয় বলে অভিযোগ। তারপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ছিলেন ওই শ্রমিক(Migrant Murder)। বিষয়টি নিয়ে থানায় নিখোঁজ অভিযোগ করেছিলেন তারা। যদিও বুধবার সকালে পরিবারের লোকজনের কাছে খবর আসে ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে লোকমানের। মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছাতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা । খুনের পিছনে সামসেরগঞ্জের দেবীদাসপুর থেকে যাওয়া দুজন সহকর্মী এবং এক ঠিকাদারের দিকে আঙুল তুলেছেন পরিবারের লোকজন।

লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাস দুয়েক আগে দেবীদাসপুর গ্রাম থেকে রাজমিস্ত্রি কাজে উড়িষ্যার বহরমপুরের এলাকায় গিয়েছিলেন লোকমান শেখ নামে ওই শ্রমিক(Migrant Murder)। আজ বুধবার দুই মাস সম্পন্ন হয়ে বাড়ি ফেরার কথা ছিল তার। রবিবার বিকেলে শেষবারের মতো কথা হয়েছে লোকমানের সঙ্গে বলে জানা যায়।

স্বামীকে হারিয়ে পাঁচ সন্তান নিয়ে সংসার কিভাবে চালাবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন লোকমান সেখের স্ত্রী। দেহ ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেই বাড়ি নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে উড়িষ্যা থেকে। পরিবারের সদস্যরাই জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই লোকমান শেখকে খুন কাণ্ডে রাজমিস্ত্রির বাসায় থাকা উড়িষ্যার একজন নাইট গার্ড সহ দুজনকে আটক করেছে উড়িষ্যা পুলিশ বলে জানাযায়। এই ঘটনার পর সামসেরগঞ্জের সহকর্মীর বাড়ির লোকজন পলাতক বলে জানাযায়। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন লোকমান সেখের স্ত্রী এবং তার পরিবারের সদস্যরা।