রাজ্যের খবর

পূজা উদ্ধোধনে আটকে প্রধান সড়ক, যানজটে এম্বুলেন্স

Main road stuck in Puja Uddhodhan, Ambulance in traffic jam

The Truth Of Bengal : ধূপগুড়ির শ্যামাপূজা তথা দীপাবলি উৎসবের পরিচিতি গোটা রাজ্যে। আর ধূপগুড়ির একাধিক বিগ বাজেটের পূজাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো এসটিএস ক্লাব। শুক্রবার সন্ধ্যায় সেই এসটিএস ক্লাবের পূজা উদ্ধোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ধূপগুড়ি – ফালাকাটা রাজ্য সড়ক বন্ধ করে।রাজ্য সড়কের অসংখ্য মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।যদিও সুপার মার্কেট মোড় থেকে বাংলোর সামনে দিয়ে বিকল্প রাস্তা চালু ছিল। তবে সেই রাস্তার দুধারে ছিল বাইক এবং রাস্তা চাপা থাকায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

রাস্তার দুপাশে প্রচুর যানবাহন যেমন আটকে পড়ে তেমনি আটকে পড়ে একাধিক এম্বুলেন্স। আর সেসময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী উদয়ন গুহ, জেলা পুলিশ সুপার খান্ডবহালে উমেশ গণপত, জেলাশাসক সামা পারভিন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গ্ৰামীণ ওয়াংডেন ভুটিয়া, ডিএসপি ট্রাফিক অরিন্দম পাল চৌধুরী সহ একাধিক পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। যানজট তৈরি হওয়ায় মঞ্চ থেকে নেমে আসেন জেলা পুলিশ সুপার সহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও ডিএসপি ট্রাফিক।যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালান তারা। এরপর যানজট এড়াতে ধূপগুড়ি – ফালাকাটা রাজ্য সড়ক দিয়ে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। হয়রানির শিকার হতে হয় এম্বুলেন্সে থাকা রোগী সহ দূরপাল্লার বাসযাত্রীদের। ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এম্বুলেন্স চালকরা।

এবিষয়ে জেলাশাসক সামা পারভিন বলেন, “এইমাত্র আসলাম। বিষয়টি দেখছি।” যদিও ডিএসপি ট্রাফিক অরিন্দম পাল চৌধুরী সবকিছু এড়িয়ে যান। এদিকে এম্বুলেন্স চালকরা বলেন, পূজার জন্য যানজট, অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে আমাদের। অন্যদিকে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকা দূরপাল্লার বাস যাত্রীরা বাস থেকে নেমে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এভাবে প্রধান রাস্তা আটক করে কি পূজা উদ্ধোধনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যায়। যদি প্রধান রাস্তা আটক করা হয় তবে উপযুক্ত রাস্তা রাখা হলো না কেন?

FREE ACCESS

Related Articles