রাজ্যের খবর

ভরা কোটালে দিঘার পাশাপাশি প্রবল জলোচ্ছ্বাস গঙ্গাসাগরেও, সমুদ্রে না নামার অনুরোধ প্রশাসনের

Bhara Kotal has been witnessing high tide since Monday morning

The Truth of Bengal: ভরা কোটালে সোমবার সকাল থেকেই দিঘায় দেখা যায় প্রবল জলোচ্ছ্বাস। গার্ডওয়াল টপকে জল চলে আছে সমুদ্রতটে। উল্লাসে মেতে ওঠেন পর্যটকরা। দিঘার মতোই পূর্নিমার কোটালে জল চলে আসে কপিল মুনি আশ্রম চত্বরে। প্রশাসন পুণ্যার্থীদের বিপদ এড়াতে সাগরে না নামার আবেদন জানায়।

শ্রাবণমাসের প্রথম সোমবার পূর্ণিমার কোটালে জলচ্ছ্বাস দেখা যায় দিঘার সমুদ্রের মতোই গঙ্গাসাগরেও। যারজন্য জলোচ্ছ্বাস দেখা যায় সৈকতনগরীর মতোই কপিলমুনীর আশ্রম চত্বরেও।উল্লেখ্য,আবহাওয়া দফতর, পূর্বাভাস দেয়, ৪০থেকে ৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। তার মাঝেই জলোচ্ছ্বাসের ঢেউ আছড়ে পরে বাংলার অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র দিঘায়।সকাল থেকেই পর্যটকরা সমুদ্রের গর্জন আর গার্ডওয়াল টপকে জল চলে আসার দৃশ্য দেখে আনন্দে গা ভাসাতে চান। বর্ষার মাঝে এই জলোচ্ছ্বাসকে ভ্রমণপিপাসুরা দৃষ্টিনন্দন বলে উল্লাস প্রকাশ করেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার সমুদ্রে স্নান এড়ানোর জন্য বলা হচ্ছে।বিপদ এড়াতে সজাগ রাজ্য প্রশাসন ধারাবাহিক প্রচার করে। ভ্রমণপিপাসুদের নিরাপদ দূরত্ব থেকে সমুদ্র দর্শনের  অনুরোধ করা হয়।সেকথা শুনে প্রবীণ মানুষেরা দূর থেকেই সমুদ্রসুন্দরীর জলোচ্ছ্বাস চাক্ষুষ করেন। কোটালে দক্ষিণ 24 পরগনার গঙ্গাসাগরের কপিল মুনির মন্দিরের সামনে আছড়ে পড়ে বঙ্গোপসাগরের ঢেউ। জলোচ্ছ্বাসে ভাঙতে শুরু করেছে মন্দিরে যাওয়ার ৬টি রাস্তা। নদীর পাড়ে থাকা গঙ্গাসাগরের পুণ্যার্থীদের জন্য তৈরি হওয়া দোকান ঘর গুলোর একাংশ ভেঙে পড়ে,চলে যায় নদীগর্ভে। ইতিমধ্যে স্থানীয় মানুষ এসে সরানো শুরু করে  প্রশাসন। ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে  নদীর কাছাকাছি মানুষদের সরে যাওয়ার জন্য বলা হয়। দিঘার মতোই গঙ্গাসাগরের ঘুরতে যাওয়া মানুষকে জলোচ্ছ্বাস দূর থেকেই চাক্ষুষ করতে হয়।

Related Articles