Viswa Bharati University: রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিধন্য বিশ্বভারতীতে কি আগ্রহ হারাচ্ছে পড়ুয়ারা?
বিশেষ করে চাইনিজ, জাপানিজ, টিবেটিয়ান ইত্যাদি বিভাগে যা একসময় বিশ্বভারতীর গর্ব ছিল, সেখানেও ভরতির হার খুবই কম।
Truth of Bengal: ইউনেস্কোর ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’এর গৌরবের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে শান্তিনিকেতন। ইতিহাস বলছে, বিংশ শতাব্দীর শুরুতে এই শান্তিনিকেতনকে জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯২১-এ রবীন্দ্রনাথের হাতে গড়া বিশ্বভারতী ১৯৫১ সালে একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পায় ।রবীন্দ্রনাথ মনে করতেন সেসময় দেশে ইউরোপের আদলে শিক্ষা ব্যবস্থা চলছে,যা আসলে অনুকরণপ্রিয়। তাই দেশীয় শিক্ষাব্যবস্থাকে বিশ্বশিক্ষার আঙিনায় পরিণত করতে রবীন্দ্রনাথের এই স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান তৈরি করা। বড় দুর্ভাগ্যের, সেই আর্ন্তজাতিক মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখন পড়ুয়ার সংখ্যা কমছে।
[আরও পড়ুনঃ Cryonic Preservation: ২ কোটির পরিবর্তে মৃত মানুষকে জীবিত! বার্লিন-এর সংস্থার দাবি ঠিক কী?]
তথ্য বলছে, সাম্প্রতিক Common University Entrance Test – পরীক্ষার ফলাফলের পর বিশ্বভারতীতে ভর্তির তালিকা প্রকাশ হতেই সামনে এসেছে উদ্বেগজনক চিত্র। সিট সংখ্যা থাকলেও অধিকাংশ বিভাগেই ভর্তির হার আশানুরূপ নয়। বিশেষ করে চাইনিজ, জাপানিজ, টিবেটিয়ান ইত্যাদি বিভাগে যা একসময় বিশ্বভারতীর গর্ব ছিল, সেখানেও ভরতির হার খুবই কম।
[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/]
অন্যদিকে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও পড়াশোনা শেষ করার পর ভালো চাকরির সুযোগ, ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট এবং ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, বিশ্বভারতীর প্রশাসনিক অস্থিরতা, অতীতের নানা বিতর্ক এবং মানোন্নয়নে ঘাটতির জন্যই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি ছাত্রদের আস্থা কমছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের মতে, প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর সময়কালের নানান সিদ্ধান্ত ও সংঘাত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। অন্যদিকে বামপন্থী মহলের মতে,কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিকাঠামোর মাণোন্নয়ন না হওয়ায় পড়ুয়াদের বিকল্প খুঁজতে বাধ্য করছে বলে অনেকের অভিমত।সৌতিক চক্রবর্তীর রিপোর্ট।






