ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরেই কি এবার বিরাট ফাটল? নাম না প্রকাশ করে বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
মহারাষ্ট্রে নিজস্ব অবস্থান শক্ত করার পর এবার পশ্চিমবঙ্গেও নিজেদের সংগঠনের বিস্তার ঘটাতে উদ্যোগী হয়েছেন আঠাওয়ালে।
Truth of Bengal: কালীঘাট তৃণমূল শিবিরে ভাঙন ধরিয়ে চর্চায় এসেছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এবার কি খোদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরেই বড়সড় ফাটল ধরতে চলেছে? কলকাতায় এসে এমনই এক বিস্ফোরক ও চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা এনডিএ শরিক আরপিআই(এ) (RPI-A) প্রধান রামদাস আঠাওয়ালে। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের দুটি শিবির মিলিয়ে অন্তত ৩৬ জন বিধায়ক বর্তমানে তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন, যার মধ্যে ৩৫ জনই নাকি ঋতব্রত শিবিরের।
মহারাষ্ট্রে নিজস্ব অবস্থান শক্ত করার পর এবার পশ্চিমবঙ্গেও নিজেদের সংগঠনের বিস্তার ঘটাতে উদ্যোগী হয়েছেন আঠাওয়ালে। শুক্রবার সল্টলেকে দলের নতুন রাজ্য দফতরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তৃণমূলের বিধায়ক ও সাংসদদের নিয়ে এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিমন্ত্রীর দাবি, কেবল ৩৬ জন বিধায়কই নন, তৃণমূলের ৫ জন বর্তমান সাংসদও তাঁদের দলে আসার জন্য যোগাযোগ রাখছেন। নাম প্রকাশ না করলেও তিনি জানান, ঋতব্রত শিবিরের ২ জন বিধায়ক ইতিমধ্যেই তাঁদের সল্টলেকের নতুন দফতরে এসে সরাসরি বৈঠক করে গেছেন।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আঠাওয়ালে বলেন, তৃণমূলের ৩৬ জন বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং আরও ১০ জন বিধায়ককে তারা পাশে চাইছেন। সব মিলিয়ে এই বিশাল গোষ্ঠীটি বিজেপির সঙ্গেই সহযোগিতা করবে। একইসঙ্গে ৫ জন লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদও তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন।
রাজনৈতিক হিসাব তুলে ধরে আঠাওয়ালে জানান, ৩৬ জনের পাশাপাশি আরও ১০ জন অর্থাৎ মোট ৪৬ জন বিধায়কের সমর্থন নিশ্চিত করতে পারলে ঋতব্রত শিবিরের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়ক তাঁদের দিকে চলে আসবেন। এর ফলে দলত্যাগ বিরোধী আইন (Anti-Defection Law)-এর কোনো প্রভাব তাঁদের ওপর পড়বে না। সেই আইনি সুবিধা নিশ্চিত করতেই তাঁরা একযোগেই ৪৬ জন বিধায়ককে দলে টানার পরিকল্পনা করছেন। আঠাওয়ালের এই মন্তব্যে বর্তমানে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।






