মাঝরাতে দুঃসাহসিক ডাকাতি! সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির থেকে খোয়া গেল লক্ষাধিক টাকার অলঙ্কার
এরপর সিদ্ধেশ্বরী মায়ের গায়ে থাকা ভক্তদের দান করা সোনার ও রুপোর অলংকার খুলে নিয়ে চম্পট দেয় তারা।
Truth Of Bengal: নদিয়ার শান্তিপুর বড়বাজার এলাকার প্রাচীন ও জাগ্রত সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দিরে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল গোটা এলাকায়। গভীর রাতে মন্দিরে ঢুকে কালী মূর্তির গা থেকে সোনা ও রুপোর বিপুল পরিমাণ অলংকার লুট করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। প্রাথমিক অনুমান, লুট হওয়া অলংকারের বাজারমূল্য লক্ষ লক্ষ টাকা।জানা গেছে, গভীর রাত আনুমানিক ১১টা নাগাদ মন্দিরের চারটি গ্রিলের তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে দুষ্কৃতীরা।
এরপর সিদ্ধেশ্বরী মায়ের গায়ে থাকা ভক্তদের দান করা সোনার ও রুপোর অলংকার খুলে নিয়ে চম্পট দেয় তারা। জনবহুল বাজার এলাকার মধ্যেই মন্দিরটি অবস্থিত এবং চারদিকে সিসি ক্যামেরা লাগানো থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এই ডাকাতি সংঘটিত হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ডাকাতির খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় নেমে আসে আতঙ্ক ও ক্ষোভ। সিদ্ধেশ্বরী মাতা অত্যন্ত জাগ্রত বলে পরিচিত হওয়ায় অনেক ভক্তই কান্নায় ভেঙে পড়েন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শান্তিপুর থানার পুলিশ। শুরু হয় তদন্ত। যদিও ঘটনার বেশ কিছুক্ষণ পর পর্যন্ত দুষ্কৃতীদের কোনো সূত্র মিলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার খবর পেয়ে মধ্যরাতে মন্দিরে ছুটে যান শান্তিপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য ও বর্তমান বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী। তাঁরা দু’জনেই স্থানীয় মানুষকে আশ্বস্ত করে জানান, দোষীদের অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে। রবিবার সকালে ফের শান্তিপুর থানায় গিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী। তিনি জানান, পুলিশ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে এবং খুব দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হবে। এদিকে, বাজার সংলগ্ন জনবহুল এলাকায় এই ধরনের দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। অনেকেরই দাবি, এই ঘটনার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। স্থানীয়দের মতে, সঠিকভাবে তদন্ত হলে খুব দ্রুতই ঘটনার পূর্ণ কিনারা করা সম্ভব হবে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত।






