
The Truth of Bengal: জনগণের অধিকার প্রয়োগের গণ-উৎসবে এবারও অংশ নেন দৃষ্টিহীন শিক্ষক সুব্রত মালাকার। ২০১৯ থেকে বড়শুলের আনন্দপল্লি স্কুলে কর্তব্যপালন করছেন এই মাস্টারমশাই। তিনি চান, মানবিক দিক দিয়ে দেখা হোক দৃষ্টিহীনদের, বাদ রাখা হোক,ভোটের ডিউটি থেকে।
দুচোখ দিয়ে তিনি দুনিয়াটা দেখতে পান না।ব্রেইল পদ্ধতিতে অসংখ্য পড়ুয়ার জীবনের আলো জ্বালাবার চেষ্টা করেন।বড়শুল আনন্দপুর এফপি বিদ্যালয়ের সেই শিক্ষক এখন গণতন্ত্রের কর্তব্যপালন করছেন। তাঁর ডিউটি পড়েছে পূর্ব বর্ধমানেই। রিজার্ভে রাখা হয় এই দৃষ্টিহীন শিক্ষককে।তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি জন-রায়ের কর্মষজ্ঞেও থাকেন।উনিশ সাল থেকেই ব্যালটের যুদ্ধের সৈনিকদের লড়াইয়ের কথা শুনে চলেছেন।কর্তব্যপালনে অবিচল এই মাস্টারমশাইয়ের কাজে খামতি রাখতে চান না।
কখনও নিজের কাজ থেকে বিরত থাকেননি তিনি। সঠিকভাবে নিজের কাজ দায়িত্ত্ব পালনে করেন। সবসময় কাজের মধ্যে থাকতে ভালোবাসেন এই দৃষ্টিহীন শিক্ষক। সামর্থ্য অনুযায়ী, মানুষের জন্য কাজ করেন,পাঠ দেন প্রতিবন্ধী পড়ুয়াদের। যাঁদের চোখে জ্যোতি নেই,যাঁরা অন্যরকম মানুষ তাঁদের প্রতি সমাজ আরও সদয় হোক চান এই মাস্টারমশাই।






