
Truth Of Bengal: একটা সময় তাঁরা ছিলেন অভিন্নহৃদয় বন্ধু। প্রয়াত দ্রোনাচার্য রামাকান্ত আচরেকরের ক্রিকেট ক্যাম্প থেকেই তাঁদের দুজনের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। মুম্বইয়ের পাশাপাশি জাতীয় দলের হয়েও খেলেছেন দুজনে একইসঙ্গে। তাঁরা হলেন শচীন তেন্ডুলকর এবং বিনোদ কাম্বলি। কিন্তু শচিন শেষ পর্যন্ত বিশ্বসেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় জায়গা পেলেও, কালের অতলে হারিয়ে গিয়েছিলেন বিনোদ কাম্বলি।
এরপর আরব সাগরের বুক চিরে বয়ে গিয়েছে বহু জল। ধীরে ধীরে ক্রিকেটের মূল স্রোত হারিয়ে গিয়ে ক্রমশই যেন অন্য ভূবনে প্রবেশ করেছিলেন বিনোদ কাম্বলি। বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থও ছিলেন তিনি। ২০০৯ সালে বিনোদের এইরকম অবস্থা দেখে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন অভিন্নহৃদয় বন্ধু শচিন। কিন্তু বিনোদ ভেবেছিলেন শচিন হয়তো তাঁর অসুস্থতার খবর পেয়ে তাঁকে সাহায্য করবেন না। কিন্তু সেদিনের কাম্বলির ধারণা পুরোপুরিই ভুল প্রমাণিত হয়েছিল। আর বন্ধুর সেই সাহায্যের কথা এবার স্বীকারও করলেন কাম্বলি।
গত কয়েকদিন আগেই ফের দুই বন্ধুকে আবার কাছাকাছি এনে দেন তাঁদের ছোটবেলার কোচ প্রয়াত রামাকান্ত আচরেকর। তাঁরই এক স্মরণসভায় উপস্থিত হন শচিন ও বিনোদ। তাঁদের দুজনের বাক্যলাপ ও আলিঙ্গনের ছবিও যেন বলে দিচ্ছিল পুরনো বন্ধুত্বের মেলবন্ধন ঘটাল।
প্রয়াত স্যারের স্মরণসভায় হাত হাত রেখে কথা বলতে দেখা গেল কাম্বলি ও শচিনকে। এরপরই কাম্বলি সেদিনের সেই ঘটনার ভুল স্বীকার করে বললেন, সেই সময় শচিনের সম্পর্কে আমার ধারণাটা পুরোপুরিই ভুল ছিল। ২০১৩ সালে আমার অস্ত্রোপচার হয়। সেই সময় শচিন আমার অস্ত্রোপচারের সমস্ত খরচাই মিটিয়েছিল বলে জানান বিনোদ।






