খেলা

Teachers Day: ‘দ্রোণাচার্যদের’ ভোলেননি ‘অর্জুনরা’, শিক্ষক দিবসের শ্রদ্ধাঞ্জলি

মনোজিৎ দাস, প্রাক্তন ফুটবলার : শিক্ষক দিবসের দিনে আমি সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই আমার কৈশোরের কোচ প্রয়াত অচ্যুত বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

Truth of Bengal: শুক্রবার ছিল শিক্ষক দিবস। শিক্ষক দিবসে ময়দানের প্রতিষ্ঠিত ফুটবলাররা বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী জ্ঞাপন করলেন যাঁদের হাত ধরেই তাঁদের শৈশবে ফুটবলে হাতেখড়ি হয়েছিল, এবং পরবর্তীকালে যাঁরা ময়দানে সুনামের সঙ্গে তিন প্রধান ছাড়াও খেলেছেন জাতীয় দলের জার্সি গায়ে। আজকের আরও খবরের বিশেষ প্রতিবেদনে সেই শিক্ষকদের প্রতিই শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন তাঁদের সফল ছাত্ররা (Teachers Day)।

মনোজিৎ দাস, প্রাক্তন ফুটবলার : শিক্ষক দিবসের দিনে আমি সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই আমার কৈশোরের কোচ প্রয়াত অচ্যুত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। যাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম ও চেষ্টা আমাকে কলকাতা ময়দানে ফুটবলার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। আমার ফুটবলার হওয়ার পিছনে আমার স্যার প্রয়াত অচ্যুত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবদান কোনওদিনই ভোলার নয়। তখন আমার বয় ১৪-১৫ বছর হবে, তখন থেকেই আমি তাঁর কাছে ফুটবলের যাবতীয় সব কিছু শিখি। এখন ভাবি সত্যিই স্যারের কাছে না এলে হয়ত ফুটবলার হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে পারতাম না। স্যার আপনি যেখানেই থাকুন ভাল থাকবেন (Teachers Day)।

আরও পড়ুনঃ Dhaka: ভোগান্তির অবসান! ঢাকায় শুরু হলো ‘নাগরিক সেবা কেন্দ্র’ সুবিধা

অতুন ভট্টাচার্য : আমার বলতে দ্বিধা নেই, আমার ফুটবলার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পিছনে সবার আগে যাঁর অবদান আছে তিনি হলেন ছোটবেলার কোচ নরেন দা। সেই ছোটবেলার কথা মনে পড়ে, নরেন দার হাত ধরেই নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের মাঠে ফুটবল খেলা শুরু। পরিশ্রম থেকে ফুটবলকে ভালবাসা, এবং বড় ক্লাবে খেলার স্বপ্ন দেখা সবই তো শিখিয়েছেন নরেন দা-ই। কাজেই নরেন দা না থাকলে আমার ফুটবলার হয়ে উঠা হত কি না সন্দেহ রয়েছে। নরেনদার হাত ধরেই আমার গড়ের মাঠে প্রবেশ। এবং পরবর্তীতে কলকাতার তিন ক্লাবের পাশাপাশি জাতীয় দল ও এশিয়ান অলস্টার দলে খেলা। সবার পিছনেই অবদান রয়েছে তাঁর। তাই প্রথম শিক্ষক হিসেবে নরেন দাকে জানাই আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম।

দেবাশিস সরকার, প্রাক্তন : আমার ছোটবেলার কোচ অভিদা-ই আমার সর্ব অর্থে প্রকৃত শিক্ষক। কি ফুটবল থেকে কি পড়াশোনা সবার পিছনেই অবদান রয়েছে অভিদার। ঢাকুরিয়ার সেই মাঠ থেকে আমার ফুটবলার হিসেবে আত্মপ্রকাশ। গুরু সেই অভিদা। যিনি হাতে ধরে প্রকৃত শিক্ষকের মত আমাকে ফুটবলের যাবতীয় শিখিয়েছেন। এবং পাশাপাশি এটাও শিখেয়েছেন কিভাবে প্রকৃত মানুষ হওয়া যায়। আমি মনে করি অভিদার সেই শিক্ষাই আমাকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করেছে। আজ ফুটবলার হিসেবে আমার পরিচয় সবকিছু অভিদা না থাকলে হত না। কাজেই প্রথম শিক্ষক হিসেবে শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে অভিদার প্রতি রইল আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি অভিদা যেন ভাল থাকেন, সুস্থ থাকেন (Teachers Day)।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal

দুলাল বিশ্বাস, প্রাক্তন ফুটবলার : কলকাতা ময়দানে আমার ফুটবলার হিসেবে যতটুকু পরিচয়, তার পিছনে যাঁর অবদান সবচেয়ে বেশি তিনি হলেন মুরারী সুর। ত্রিবেণী ফুটবল মাঠে স্যারের কাছে আমার ফুটবলের যাবতীয় পাঠ নেওয়া। স্যারই শিক্ষা দিয়েছিলেন বড় ফুটবলার হতে গেলে কঠিন পরিশ্রমের পাশাপাশি স্বপ্ন দেখতে হয়। আর পড়াশোনার পাশাপাশি ফুটবলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে হয়। আজ আমার পরিচিতি সবই স্যারের জন্য। কাজেই প্রথম শিক্ষক হিসেবে মুরারীদাকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম (Teachers Day)।

Related Articles