খেলা

Lionel Messi: ক্লাব বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই পা হড়কে গেল মেসি-সুয়ারেজদের

এবারই প্রথম ৩২ ক্লাব দলকে নিয়ে ক্লাব বিশ্বকাপের আসর

Truth of Bengal: চলতি বছরের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের শুরুটা একেবারেই ভাল হল না ইন্টার মিয়ামির। প্রথম ম্যাচেই পয়েন্ট নষ্ট করতে হল লিওনেল মেসির দল ও আল আহলির মধ্যে ম্যাচটি শেষ হল অমীমাংসিতভাবে।

এবারের ক্লাব বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল মিয়ামির হার্ডরক স্টেডিয়ামে। এবারই প্রথম ৩২ ক্লাব দলকে নিয়ে ক্লাব বিশ্বকাপের আসর। কাজেই ফুটবলের সর্বময় কর্তাদের উৎসাহ ও উদ্দীপনাও ছিল চোখে পড়ার মত। অনেক সমালোচনা সহ্য করেও ফিফার সভাপতি ইয়ান্নি ইনফান্তিনো আশা করেছিলেন আর যাই হোক প্রথম ম্যাচে ভাল কিছু ঘটবে। কিন্তু ক্লাব বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তাঁর সে আশা কতটা পূরণ হল তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন থেকেই যাবে।

[আরও পড়ুনঃ Ahmedabad Plane Crash: বিমান দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা গোপন করার অভিযোগ, অর্থ দিয়ে মুখ বন্ধের চেষ্টা]

ক্লাব বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ইন্টার মিয়ামি ও আল আহলি দুটি দলের ফুটবলাররাই চেষ্টা করেছিলেন তাঁদের সেরাটা দেওয়ার। লড়াই, পাল্টা লড়াইয়ে ম্যাচটা জমেও উঠলেও ফুটবলের আসল যে কাজ সেই গোল-ই থেকে গেল অধরা।

এই ম্যাচের শুরু থেকেই মেসি (Lionel Messi)-সুয়ারেজদের দলের ওপর নিজেদের আধিপত্য দেখাতে শুরু করে মিশরের ক্লাবটি। ফলে বার বার মিয়ামির গোলমুখেও হানা দিতে থাকে তারা। ক্রমাগত আক্রমণের ফলে ম্যাচের প্রথমার্ধেই পেনাল্টিও আদায় করে নেয় তারা। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে আল আহলির ফুটবলার ক্রেজেগিটের নেওয়া শট রুখে দিলেন মিয়ামির আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক অস্কার উসতারি। শুধু পেনাল্টি বাঁচানোই নয়, গোটা ম্যাচে তাঁর বিশ্বস্ত হাত মিয়ামিকে নিশ্চিত পতনের হাত থেকেও বাঁচিয়েছে কমপক্ষে আট বার। না হলে ম্যাচের ফল অন্যরম হতেই পারত।

লিঙ্কঃhttps://www.facebook.com/truthofbengal

রূপকথার গল্পের মতো নিজের ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে এসে যেন আচমকা এই ম্যাচে অস্কার হয়ে উঠলেন হিরো। ৩৮ বছর বয়সী আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক জাতীয় দলের হয়ে ২০০৫ সালে অনুর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপজয়ী দলে খেলেছিলেন।  সেই সময় তাঁর সতীর্থ হিসেবে দলে ছিলেন  বর্তমান ইন্টার মিয়ামির অধিনায়ক লিওনেল মেসিও (Lionel Messi)। এরপর বেজিং অলিম্পিকে মেসির সতীর্থ হিসেবেও সোনাজয়ী দলে ছিলেন। পাশাপাশি ক্লাব ফুটবলে বেশ কয়েকটি সুনামধারী দলে খেললেও, সেইভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি উস্তারি। ফলে আর্জেন্টিনার ফুটবল মহলে ধীরে ধীরে অস্তমিত তারাতেই পরিণতি হয়েছিলেন অস্কার। তবে তিনি যে একেবারে ফুরিয়ে যাননি তা ফের প্রমাণ করে দিলেন।

অপর দিকে ইন্টার মিয়ামিও গোলের সুযোগ একেবারে পায়নি তা বলা যাবে না। একবার সুয়ারেজের শট আল আহলির গোলরক্ষক কোনওরকম বাঁচান। আর একবার মেসির শট পোস্টে লাগে। প্রথম ম্যাচে পয়েন্ট নষ্ট করে ম্যাচ শেষে মিয়ামির কোচ জ্যাভিয়ের মাসচেরানো সাংবাদিকদের বলেন, ‘দল পয়েন্ট নষ্ট করলে কি হবে, আমি দলের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে খুশি।’

মিয়ামি তাদের পরবর্তী ম্যাচে মুখেমুখি হবে আগামী ১৯ জুন। সেই ম্যাচে মেসিদের প্রতিপক্ষ ব্রাজিলের অন্যতম সেরা ক্লাব পালমেইরাস।

 

 

Related Articles