বিষ্ণু, রশিদের গোলে নামধারীকে হারিয়ে আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল
ক্রেসপোর সেন্টারে মিগুয়েল মাথা ছোঁয়ালেও তা প্রতিহত হয়ে ফিরে এলে ফিরতি বলে প্যালেস্তাইন মিডিওর দূরপাল্লার শট জড়িয়ে যায় নামধারীর জালে।
Truth Of Bengal: ইস্টবেঙ্গল-২ নামধারী এফসি-০
মঙ্গলবার আইএফএ শিল্ডের গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচটা খেলতে নেমেছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই ম্যাচ লাল-হলুদের কাছে ফাইনালে যাওয়ার জন্য ড্র করলেই চলত। কিন্তু সে পথে না হেঁটে নামধারীকে ২-০ গোলে পরাজিত করেই শতাব্দী প্রাচীন আইএফএ শিল্ডের ফাইনালের টিকিট আদায় করে নিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল করেন মিডফিল্ডার রশিদ ও উইঙ্গার পিভি বিষ্ণু।
গত ম্যাচে লাল-হলুদের গোলরক্ষা করেছিলেন দেবজিৎ মজুমদার। এই ম্যাচে তাঁর বদলে গোলরক্ষার দায়িত্বে ছিলেন প্রভুসুখন সিং গিল। ডিপ ডিফেন্সে লালচুংনুঙ্গার সঙ্গে মার্তন্ডের বদলে ছিলেন কেভিন। দুই পাশে রাকিপ ও জয় গুপ্তা। এছাড়া তাঁর প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন, সাউল, মিগুয়েল, রশিদ, ডেভিড, বিপিন ও বিষ্ণুকে রেখে।
ম্যাচের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের ওপর আক্রমণের ঝড় তুলতে শুরু করে মশাল ব্রিগেড। ক্রেসপো-মিগুয়েলদের এই মশালের তেজে শুরু থেকেই যেন কিছুটা ব্যাকফুটে চলে পঞ্জাবের দলটি। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে প্রথম স্কোরশিটে নাম তোলেন মিডফিল্ডার রশিদ। ম্যাচের বয়স তখন ১৯ মিনিট। ক্রেসপোর সেন্টারে মিগুয়েল মাথা ছোঁয়ালেও তা প্রতিহত হয়ে ফিরে এলে ফিরতি বলে প্যালেস্তাইন মিডিওর দূরপাল্লার শট জড়িয়ে যায় নামধারীর জালে। এরপর বিরতির আগে বিষ্ণুর গোলে ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় ইস্টবেঙ্গল।
এরপর ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনও পক্ষই গোল করতে পারেনি। ফলে ম্যাচ জিতে আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল। এখন দেখার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ কে হয়, তা জানা যাবে বুধবার মোহনবাগান বনাম ইউনাইটেড ম্যাচের পর।






