কলকাতারাজনীতি
Trending

বৃষ্টিস্নাত ‘একুশে’ আবেগ-উচ্ছ্বাস! মমতা-অভিষেককে নিয়ে গণ উন্মাদনা

Mamata Banerjee

The Truth of Bengal: কোনও পরিবর্তন নেই। আবেগ-উচ্ছ্বাস আজও আছে একইরকম। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বাঁধভাঙা আবেগ আছড়ে পড়ে তিলোত্তমায়। প্রতিবছর ২১ জুলাইয়ে সেই একই ছবি। উপলক্ষ্য সেই এক। শহিদ স্মরণ। যে দিনটিকে কেন্দ্র করে গোটা বাংলা এক হয়ে যায়। আবেগে মিশে যায় কালিম্পং থেকে কাকদ্বীপ। বাঁকুড়া থেকে বনগাঁ। একুশের আর এক নাম যে আবেগ। শহিদ সমাবেশ হলেও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের টানে এই বিশেষ দিনটিতে শহরের রাজপথ দখল নেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। পঞ্চায়েতে বিপুল জয়ের পর এই প্রথম দলের কর্মী-সমর্থকদের মুখোমুখি হন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে এবারের এই একুশে নিয়ে একটা বাড়তি উন্মাদনা ছিল কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে। ছিল বাড়তি উচ্ছ্বাস।

সভা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই নামে বৃষ্টি। তবে সেই বৃষ্টি কমাতে পারেনি কর্মীদের উৎসাহ। সভাস্থলের আশপাশে শুধু কালো মাথা। সকাল থেকেই কলকাতা লাগোয়া জেলাগুলি থেকে আসতে শুরু করে সমর্থকদের মিছিল। দূরের জেলাগুলির সমর্থকরা আগেই পৌঁছে গিয়েছিলেন শহরে। ছিলেন বিভিন্ন কেন্দ্রে। সকাল হতেই শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সেই সমর্থকরা মিছিল করে ধর্মতলার উদ্দেশে রওনা হন। সুসজ্জিত সেই মিছিলগুলি একে একে পৌঁছে যায় ধর্মতলায়। মঞ্চের সামনে দিকে জায়গা করে নেওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়। লক্ষ্য, মমতাকে আরও একটু কাছ থেকে দেখা। তখনও বক্তব্য শুরু করেননি মমতা। সভা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই ঝমঝমিয়ে নামে বৃষ্টি। তবে নিজের জায়গা থেকে কেউ নড়েননি একটুও।

অভিষেকের বক্তব্যের পর নিজের বক্তব্য শুরু করেন মমতা। কিছুক্ষণের মধ্যে আবারও নামে বৃষ্টি। মুষলধারে বৃষ্টি নামলেও প্রত্যয়ী সমর্থকরা স্থির ছিলেন নিজের জায়গায়। মন দিয়ে শোনেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা। যে কথা শোনার জন্যই তো এত কষ্ট করে, এতটা পথ পাড়ি দিয়ে ধর্মতলায় আসা। সমর্থকদের কাছে এই মমতা আবেগ যেন চুম্বকের মতো কাজ করে। যা আবার একবার দেখা গেল। শহিদ দিবসে হলেও শহরের রাজপথে নামে জনতরঙ্গ। তিলোত্তমায় বয়ে যায় জনস্রোত। যে জনস্রোত আবর্তিত হয় মমতা নামে আবেগে। আবারও যে স্রোতের উন্মাদনা দেখা গেল কলকাতায়। শ্রাবণধারা সেই উন্মাদনায় ভাটা ফেলতে পারেনি। মমতার বক্তব্য শেষ হতেই সভা সমাপ্ত। এবার যে যার বাড়ি ফিরে যাওয়ার পথে। আবার অপেক্ষা এক বছরের।

 

Related Articles