অফবিটআন্তর্জাতিক

আশার আলো নাকি নরমের যম? সঙ্গমের পরই দান করেন শুক্রাণু, তরুণের শর্তে হইচই

এই ঘটনায় বন্ধুর পরিবারের সকলকে সুখী দেখে হাজিম সিদ্ধান্ত নেন, তিনি এই পরিষেবা চালিয়ে যাবেন।

Truth Of Bengal: বহু মানুষের কাছে সুখের অপর নাম সন্তান। কিন্তু সবার কপালে কি সন্তান সুখ জোটে? এমন অনেক দম্পতি বা সমকামী দম্পতি রয়েছেন যারা সন্তান ধারনে অক্ষম। আবার অনেক মহিলা রয়েছেন যারা উন্নত যুগে ‘সিঙ্গেল মা’ হিসাবে নিজেদেরকে দেখতে চান। কিন্তু দত্তক নয় নিজের সন্তান-ই চায় তাঁরা। এমন মানুষদেরকে আশার আলো দেখাচ্ছেন এক তরুণ। নিজের শুক্রানু দান (Sperm Donation) করে তাঁদের দিকে সাহাযের হাত বাড়িয়ে দেন তিনি। কিন্তু এমন কাজ তো বহু মানুষ করেন, তাহলে একে নিয়ে এতো হইচই কেন?

এই শুক্রাণুদাতার রয়েছে অদ্ভুদ শর্ত। শুক্রানু নিতে হলে তাঁর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গড়তে হবে গ্রাহককে। সংবাদমাধ্যম থেকে পাওয়া সূত্রের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, তাঁর শুক্রাণু নিয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন অন্তত সাত জন মহিলা।

সমাজমাধ্যমে এই তরুণের নাম হাজিম। নিজের অ্যাকাউন্টে তাঁর ঘোষণা, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শুক্রাণুদান করেন। জানা গিয়েছে, ওই তরুণ জাপানের ওসাকার বাসিন্দা, তিনি প্রথম শুক্রাণুদানের প্রস্তাব পেয়েছিলেন তাঁরই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বন্ধুর থেকে। সেই সহপাঠী বন্ধ্যত্বের শিকার হওয়ায় নিজের স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গমের (Sperm Donation) অনুরোধ করেন হাজিমের কাছে। অনুরোধ শুনে প্রথমে হকচকিয়ে গেলেও পরে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁর সাহায্যেই সন্তান সুখ পান বন্ধু ও তাঁর স্ত্রী। এই ঘটনায় বন্ধুর পরিবারের সকলকে সুখী দেখে হাজিম সিদ্ধান্ত নেন, তিনি এই পরিষেবা চালিয়ে যাবেন।

সম্পূর্ণ পরিষেবা বিনামূল্যে প্রদান করেন তিনি। তবে যাতায়াত খরচ গ্রাহককেই বহন করতে হয়। তাঁর কথায়, তিনি কখনও এই শিশুদের ওপর পিতৃত্বের অধিকার ফলাবেন না, আর্থিক দায়িত্ব নিতেও তিনি নারাজ। তাঁর শুক্রাণু থেকে জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্য কোনও চুক্তিতেই তিনি স্বাক্ষর করবেন না। এখনও পর্যন্ত সাত জন মহিলাকে অন্তঃসত্ত্বা করেছেন তিনি, যার মধ্যে চারটি সন্তান ইতিমধ্যেই জন্মগ্রহণ করেছেন। শুরুতে হাজিমের ধারনা ছিল, বন্ধ্যত্বের সমস্যা রয়েছে এমন দম্পতিরাই তাঁর থেকে পরিষেবা নিতে চাইবেন। কিন্তু তাঁর অধিকাংশ গ্রাহক সমকামী দম্পতি ও অবিবাহিত মহিলা। তরুণের এই পরিষেবার বিষয়ে জানাজানি হতেই শুরু হয়েছে হইচই।

Related Articles