অফবিট

দুর্গানন্দন গণপতির প্রিয় ফুল কী জানেন? কীভাবে করবেন গণেশের আবাহন

Do you know what Durganandan Ganapati's favorite flower? How to invoke Ganesha

Truth Of Bengal, Mou Basu : আমাদের প্রিয় বিঘ্নবিনাশক গণেশজীর পুজো আজ উৎসবের চেহারা নিয়েছে। “গণপতি বাপ্পা মোরিয়া”-র ধ্বনিতে মুখরিত চারিদিক। দুর্গানন্দন গণপতির প্রিয় ফুল হল যে কোনো রক্তপুষ্প বা লাল রঙের ফুল। কিন্তু গণেশের পুজোয় কুন্দ, টগর, অশোক ফুল, তুলসীপাতা ও বেলপাতা নিষিদ্ধ। উচ্ছিষ্ট ফুল পুজোয় নিষিদ্ধ। দুর্গাপুজোয় দূর্বা নিষিদ্ধ হলেও গণেশ পুজোর প্রধান উপকরণ দূর্বাঘাস। গণেশের খুব প্রিয় দূর্বাঘাস। বেলপাতা, তুলসীপাতার মতোই দূর্বাঘাস কখনো বাসি হয় না।

গণেশ ঠাকুরের প্রিয় মিষ্টি হল মোদক। আদতে মহারাষ্ট্রের মিষ্টি এখন গণেশ ঠাকুরের হাত ধরে বাঙালির ঘরে ঘরে ঢুকে পড়েছে। পুরাণ মতে, মিষ্টি জাতীয় পদ গণেশ ঠাকুরের খুব প্রিয় বলে মোদক নিবেদন করা হয় প্রসাদ হিসাবে। এছাড়াও মনে করা হয় মোদক গণেশ ঠাকুরের এত প্রিয় কারণ তিনি জীবনের মিষ্টতাকে গুরুত্ব দেন।

তাই মোদক শুধুই মিষ্টি নয় মনে করা হয় তা গণেশ ঠাকুরের প্রতি সমর্পণ ও শুদ্ধ মনে ঈশ্বরের প্রতি ভক্তির প্রতীক।
মহারাষ্ট্রে মোদক ছাড়া গণেশ উৎসব অসম্পূর্ণ ভাবা হয়। মোদক বা মারাঠি ভাষায় উকাদিচে মোদক সাধারণত তৈরি করা হয় চালের গুঁড়ি দিয়ে। পীঠের মতোই পুর হিসাবে গুড় মেশানো নারকেল কোড়া দেওয়া হয়। সুগন্ধি মশলা এলাচ, কেশর আর জায়ফল দেওয়া হয়। পিরামিডের মতো নীচের দিকে চ্যাপটা আর ওপর দিকে ছুঁচলো ত্রিভুজাকৃত আকারে গড়া হয়।
মোদকের এমন আকৃতিরও গুঢ় দার্শনিক তত্ত্ব আছে। পরম ব্রহ্ম আর আত্মার মধ্যে সেতুবন্ধন করায় মোদক। মহারাষ্ট্রে গণেশ ঠাকুরকে ২১টি মোদক অর্পণ করার রীতি আছে।