Black Pacoda: ভয়াবহ ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড় সামলেও টিকে আছে চিৎপুরের ব্ল্যাক পাগোডা
প্রাচীন উত্তর কলকাতার চিৎপুরে রবীন্দ্র সরণীর ওপর বছরের পর বছর ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে প্রাচীন নবরত্ন বগলামুখী কালী মন্দির
Truth of Bengal: শতাব্দী প্রাচীন কলকাতা শহর। প্রাচীন উত্তর কলকাতার চিৎপুরে রবীন্দ্র সরণীর ওপর বছরের পর বছর ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে প্রাচীন নবরত্ন বগলামুখী কালী মন্দির। ভারতীয় জমিদার গোবিন্দরাম মিত্র যিনি ‘প্রথম ব্ল্যাক জমিদার’ বলে পরিচিত ছিলেন তিনি তৈরি করেন এই প্রাচীন মন্দির। এর নাম তাই রাখা হয় ব্ল্যাক প্যাগোডা (Black Pacoda)। রাজস্ব আদায় ইংরেজ শাসকদের সাহায্য করতেন ডেপুটি কালেক্টর গোবিন্দরাম মিত্র।
[আরও পড়ুনঃ Black Pacoda: ভয়াবহ ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড় সামলেও টিকে আছে চিৎপুরের ব্ল্যাক পাগোডা]
১৭২৫ সাল থেকে ইটের তৈরি মন্দির নির্মাণ শুরু করেন গোবিন্দরাম মিত্র। ১৭৩০-৩১ সালে শেষ হয় মন্দিরের নির্মাণ কাজ। গঙ্গাপাড়ের এই মন্দির এক সময় শহরের সর্বোচ্চ বহুতল ছিল। একইদিনে, ১৭৩৭ সালে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আর ভূমিকম্পর কবলে পড়েও সত্ত্বেও টিকে আছে এই প্রাচীন মন্দির। ১৮১৩ সালে মন্দির চত্বরে থাকা পঞ্চরত্ন মন্দির। তবে বাকি অংশ এখনো পর্যন্ত টিকে আছে। এই মন্দিরের সর্বোচ্চ চূড়ার উচ্চতা ছিল ১৬৫ ফুট।
লিঙ্কঃhttps://www.facebook.com/truthofbengal
যা শহিদ মিনারের চেয়ে উঁচু। ১৮ শতকে এটিই ছিল কলকাতার সর্বোচ্চ বহুতল। অনেক দূর থেকে মন্দিরের চুড়া দেখতে পেতেন নাবিকরা। তাই তাঁরা মন্দিরকে প্যাগোডা বলে ডাকতেন। ভারতীয় জমিদার গোবিন্দরাম মিত্র এই প্যাগোডা সুদৃশ্য মন্দির নির্মাণ করেন বলে ইংরেজরা এর নাম দেয় ব্ল্যাক প্যাগোডা (Black Pacoda)। নানান সময় বিভিন্ন শিল্পীর ছবিতে উঠে এসেছে ব্ল্যাক প্যাগোডার ছবি।





