Train Disruption: বামেদের ধর্মঘটের জেরে ট্রেন বিপর্যয়, সমস্যায় যাত্রীরা
দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বুধবার বামেদের ডাকা ধর্মঘটের জেরে চরম সমস্যার মুখোমুখি হতে হল রেল যাত্রীদের (Train Disruption)। বেশ কিছু জায়গায় দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের অবরোধ করায় চাপে পড়েন তাঁরা। দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড় করিয়ে রাখতে হয় ট্রেনকে। পুলিশ এসে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উগ্র হয়ে যায়। এক কথায় বলতে গেলে, স্টেশনগুলিতে দেখা যায় অশান্তির চিত্র।
কেন্দ্রীয় নীতিগুলিকে শ্রমিক ও কৃষক বিরোধী তকমা দিয়ে ধর্মঘটের ডাক দেয় বামেরা। তবে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় যে সরকারি দপ্তরগুলি খোলা রাখতে হবে এবং কর্মীদের উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি, মধ্যশিক্ষা পর্ষদও কড়া নির্দেশ দেয় স্কুলগুলিকে এবং খোলা রাখতে বলে। এছাড়া পুলিশকে, অশান্তি রুখতে, চারিদিকে নজর রাখার কথা বলা হয় (Train Disruption)।
বামেদের ধর্মঘটের জেরে ট্রেন বিপর্যয়, সমস্যায় যাত্রীরা pic.twitter.com/3FM7HQV5YO
— TOB DIGITAL (@DigitalTob) July 9, 2025
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বামেরা তাদের কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে রাস্তায় নামেন প্রতিবাদ জানাতে। একেবারে চোখের নিমেষে গোটা রাজ্য এক আলাদা রূপ নেয়। বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, রাজ্য যেন পুরো যুদ্ধক্ষেত্র হয়ে ওঠে। একাধিক এলাকা থেকে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধস্তাধস্তির খবর উঠে আসে। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, পুলিশ তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা দিচ্ছে। যদিও পুলিশের তরফ থেকেও পাল্টা জানানো হয়েছে যে তারা সবরকমভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে অশান্তি আর না বাড়ে (Train Disruption)।
বামেদের এই ধর্মঘট নিয়ে চরম সমস্যা তৈরি হয়েছে প্রতিটি জেলার রাজপথে। এমনকি বাদ যাননি রেল যাত্রীরাও। যেভাবে আন্দোলনকারীরা রেল অবরোধ করেন, তাতে বাধ্য হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকে ট্রেন। জানা গিয়েছে, এদিন শিয়ালদহ মেন লাইন- বেলঘরিয়া, ব্যারাকপুর, কৃষ্ণনগর-সহ বহু জায়গায় ট্রেন মাঝপথে থামে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে শুরু হয় বচসা ও হাতাহাতি। শিয়ালদহের দক্ষিণ শাখাতেও একই চিত্র দেখা যায়। অন্যদিকে, যাদবপুর স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে স্লোগান তুলে মিছিল করতে আসেন বাম কর্মী-সমর্থকরা। এরপর তাঁরা চলে যান ২ নম্বর প্লাটফর্মে (Train Disruption)।






