‘সেবাশ্রয় ২’-এ মেটিয়াবুরুজে ভিড়, এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট অভিষেকের
সেই ধারাবাহিকতায় এবার মেটিয়াবুরুজে শুরু হয়েছে ‘সেবাশ্রয় ২’-এর শিবির।
Truth Of Bengal: আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সাংসদীয় এলাকায় জনসংযোগ বাড়াতে ‘সেবাশ্রয় ২’ কর্মসূচি চালু করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ১লা ডিসেম্বর থেকে মহেশতলা বিধানসভার বিভিন্ন অঞ্চলে বিনামূল্যের স্বাস্থ্য শিবির দিয়ে এই পরিষেবা কর্মসূচির সূচনা হয়। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, উদ্যোগের প্রথম সপ্তাহেই প্রায় ৫০ হাজার মানুষের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার মেটিয়াবুরুজে শুরু হয়েছে ‘সেবাশ্রয় ২’-এর শিবির।
Day 9 of #Sebaashray2 in Metiaburuz was a powerful reminder of what healthcare rooted in compassion can achieve. From the first light of morning, residents arrived with hope, and the teams were ready to meet every need with care, patience, and respect.
Every person who walked in… pic.twitter.com/UVzCd3TiiB
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) December 10, 2025
এই শিবির ঘিরে প্রতিক্রিয়া জানাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স-এ একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি জানান, নবম দিনেই মেটিয়াবুরুজে শিবিরটি উল্লেখযোগ্য সাড়া পেয়েছে। প্রকল্প শুরুর পর থেকে মোট রেজিস্ট্রেশন করেছেন ৫৪,৭০০ জন। পরীক্ষা হয়েছে ২,৬৩৫ জনের। বিনামূল্যে ওষুধ পেয়েছেন ২,৫৩৮ জন। চিকিৎসার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন ৪,৪৭৪ জন এবং শিবির থেকে চিকিৎসার প্রয়োজনে রেফার করা হয়েছে ২৮ জনকে।
উল্লেখ্য, ‘সেবাশ্রয় ২’ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ১ ডিসেম্বর। কর্মসূচি চলবে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী—
-
১–৭ ডিসেম্বর: মহেশতলা
-
৮–১৪ ডিসেম্বর: মেটিয়াবুরুজ
-
১৫–২১ ডিসেম্বর: বজবজ
-
২২–৩০ ডিসেম্বর: বিষ্ণুপুর
-
২–৮ জানুয়ারি: সাতগাছিয়া
-
৯–১৫ জানুয়ারি: ফলতা
-
১৬–২২ জানুয়ারি: ডায়মন্ড হারবার
এই সমস্ত বিধানসভা এলাকায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে।
এর আগে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি থেকে ডায়মন্ড হারবারে ‘সেবাশ্রয়’-এর প্রথম পর্যায় শুরু হয়েছিল। টানা ৭৫ দিন ধরে চোখ, কান, রক্তচাপ, সুগার এবং ক্যানসার পরীক্ষাসহ একাধিক স্বাস্থ্য পরিষেবা বিনামূল্যে দেওয়া হয়। প্রথম পর্যায়ের সাফল্যের পর দ্বিতীয় পর্বের এই কর্মসূচি শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের মতে, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই উদ্যোগকে জনসংযোগ বাড়ানো ও সংগঠনগত শক্তিবৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।






