কলকাতা

আরজি কর কাণ্ড: ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের বাড়িতে সিবিআই

ভোটের আবহাওয়ায় এমন ঘটনা ঘটা করেছে পরিস্থিতি স্পর্শকাতর।

Truth Of Bengal: দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আরজি কর হত্যাকাণ্ডের এক বছর পেরিয়ে গেলেও যে সেই রেশ এখনও কাটেনি, তা কিছুদিন আগে ‘নবান্ন অভিযান’এ নেমে পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন নির্যাতিতার মা-বাবা ও বিজেপি। এবার এতে এল আরও চঞ্চল্যকর মোড়। হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের বাড়িতে হানা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI)। ঘটনাকে ঘিরে বঙ্গ রাজনীতিতে ছড়িয়েছে জোরদার চাঞ্চল্য। ভোটের আবহাওয়ায় এমন ঘটনা ঘটা করেছে পরিস্থিতি স্পর্শকাতর।

[আরও পড়ুন: DVC Water: ডিভিসি বেহিসেবি জল ছাড়ায় জলবন্দি একাধিক জেলার মানুষ]

গত বছর ৯ আগস্ট আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই গোটা বাংলায় জ্বলেছিল প্রতিবাদের আগুন। বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্য সরকারকে। যদিও ঘাসফুল শিবিরও পাল্টা দিয়েছিল (CBI)। জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে পথে নেমে প্রতিবাদ জানান নাগরিক সমাজের একাংশ। ‘রাত দখল’, ‘নবান্ন অভিযান’, ‘দ্রোহের কার্নিভাল’ থেকে শুরু করে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যাবজ্জীবন কারাদন্ডে সাজা দেওয়া হয় সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে।

কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করতে গিয়ে উঠে আসে হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতির বিষয়টি। এর জন্য গ্রেফতার হয়েছেন সন্দীপ ঘোষ। এখনও মামলাটি চলছে আলিপুর আদালতে। সিবিআইয়ের তরফ থেকে চার্জগঠন করা হয়েছে পাঁচজনের বিরুদ্ধে। হাসপাতালে রোগীকল্যাণ সমিতির সদস্যরাও সিবিআইয়ের স্ক্যানারে রয়েছেন (CBI)। এমনকি সেই কমিটিতে রয়েছেন অতীন ঘোষও। হত্যাকাণ্ডের আগে নাকি তিনি বেশ কয়েকটি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন সমিতির। স্বাভাবিকভাবেই, এই বিষয়ে যে অতীন ঘোষের চাপ বেড়েছে, তা বলাই বাহুল্য।

[আরও পড়ুন: DVC Water: ডিভিসি বেহিসেবি জল ছাড়ায় জলবন্দি একাধিক জেলার মানুষ]

জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুর দুটোর খানিকক্ষণ পর অতীন ঘোষের শ্যামবাজারের বাড়িতে হানা দেন সিবিআই আধিকারিকরা (CBI)। তাঁকে নাকি জানিয়েই হানা দেওয়া হয়েছে বলে খবর। রাজনৈতিক মহল মনে করছে যে ভোটমুখী বাংলায় আসা-যাওয়া লেগেই থাকবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির। অনেকে এটাও মনে করছেন যে আগামী দিনে বিষয়টি অনেকদূর এগোতে পারে। এবার দেখার বিষয় যে এই ব্যাপারে কি বেরিয়ে আসে। কোথায় এগোচ্ছে বিষয়টি, সেটাই এখন দেখার।

Related Articles