আন্তর্জাতিক

H-1B Visa Rules: এইচ-১বি-তে ‘চাকরি ছিনতাই’-এর অভিযোগ তুলে ট্রাম্প প্রশাসনের বিস্ফোরক বিজ্ঞাপন

মার্কিন শ্রম দফতর কর্তৃক প্রকাশিত নতুন এক প্রচার ভিডিও এবং বিজ্ঞাপনে সরাসরি এই অভিযোগ তোলা হয়েছে।

Truth of Bengal: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসা নীতি নিয়ে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিল ট্রাম্প প্রশাসন। স্বয়ংক্রিয় ভিসা পুনর্নবীকরণ ব্যবস্থায় নিয়মের পরিবর্তন আনার পাশাপাশি এবার বিজ্ঞাপন দিয়ে সরাসরি অভিযোগ তোলা হল যে, বিদেশি কর্মীরা, বিশেষত ভারতীয়রা, এইচ-১বি ভিসার যথেচ্ছ অপব্যবহার করে দেশীয় কর্মীদের চাকরি কেড়ে নিচ্ছে।

মার্কিন শ্রম দফতর কর্তৃক প্রকাশিত নতুন এক প্রচার ভিডিও এবং বিজ্ঞাপনে সরাসরি এই অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপনে লেখা হয়েছে, “এইচ-১বি অপব্যবহারের ফলে বহু মার্কিন তরুণ তাঁদের স্বপ্ন হারিয়েছেন। বিদেশিদের জন্য তাঁদের চাকরি চলে গিয়েছে।” ৫১ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে ১৯৫০-এর দশকের মার্কিন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ছবির পাশাপাশি বর্তমান চাকরির বাস্তবতাকে তুলে ধরা হয়েছে। ভিডিওতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, বিদেশিদের, বিশেষত ভারতীয়দের নিয়ে আমেরিকার তরুণদের স্বপ্ন চুরমার করা হচ্ছে। এখানে দাবি করা হয় যে, এইচ-১বি ভিসাধারীদের ৭২ শতাংশই ভারতীয়। ভিডিওর শেষে বার্তা দেওয়া হয়: প্রজেক্ট ফায়ারওয়ালের মাধ্যমে সংস্থাগুলিকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে এবং প্রথমে আমেরিকানদের চাকরি নিশ্চিত করা হবে।

ট্রাম্প প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবারই ঘোষণা করা হয় যে, স্বয়ংক্রিয় ভিসা পুনর্নবীকরণ ব্যবস্থার নিয়মে বদল আনা হচ্ছে। এখন থেকে নিয়োগকারী সংস্থার তরফে দেওয়া ‘ওয়ার্ক পারমিট’ বা কাজের অনুমোদনের মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ১৮০ দিন আগে পুনর্নবীকরণের জন্য আবেদন করতে হবে। প্রকৃতপক্ষে, আমেরিকায় কর্মরত বিদেশিদের উপর নজরদারি চালাতেই মার্কিন প্রশাসন তাঁদের নথি কঠোরভাবে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এই বিজ্ঞাপনের মাঝেই মার্কিন শ্রম দফতরের পক্ষ থেকে ‘প্রজেক্ট ফায়ারওয়াল’-এর কথা বলা হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে এই উদ্যোগের ঘোষণা করা হয়েছিল। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল—এইচ-১বি ভিসার নামে সংস্থাগুলি কম পারিশ্রমিকে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করে স্থানীয় কর্মীদের সরিয়ে দিচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা এবং বেআইনি কাজ ধরা পড়লে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। বিজ্ঞাপন দিয়ে শ্রম দপ্তর দাবি করেছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শ্রমমন্ত্রী লরি চাভেজ-ডি রেমারের নেতৃত্বে এখন এই অপব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং আমেরিকার তরুণদের স্বপ্ন সত্যি করার প্রচেষ্টা করা হচ্ছে।

Related Articles