
The Truth Of Bengal : প্রায় দুটো দিন অতিক্রান্ত। রাফায় ঢুকে ইজরায়েলি ফৌজের আক্রমণ। রাফায় আন্তর্জাতিক মহলের চাপকে তোয়াক্কা না করেও ঢুকে পড়েছে ইজরায়েলের ট্যাঙ্কবাহিনী। হামাস জঙ্গিদের ডেরা লক্ষ করে চলছে লাগাতার হামলা। যার জেরে সেখানে বসবাসকারী প্যালেস্তিনীয়দের জীবনযাপন। নিজেদের প্রাণরক্ষা করতে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে এদিকওদিক ছোটাছুটি শুরু করেন সাধারণ মানুষ। ক্যাম্প ছাড়াতে বাধ্য হন শরণার্থীরাও। এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন আমেরিকাও।
ওয়াশিংটনের তরফ থেকে ইজরায়েলকে সাবধান করা হয়েছিল রাফায় অভিযান শুরু আগেই। তবে তা সম্পূর্ণভাবেই উপেক্ষা করে যায় তেল আভিভ। তাই এবার বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল মার্কিন প্রাশসন। ইরায়েলকে অস্ত্র সরবররাহ বন্ধ করে দিল তারা। রাফাকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করাই তার এক মাত্র উদ্দেশ্য। হোয়াইট হাউসের এক প্রশাসনিক আধিকারিক জানান, রাফায় ঢুকে ইজরায়েলি সেনার অভিযানের আগে ভাবা প্রয়োজন ছিল, ওটা নিরীহ প্যালেস্তিনীয়দের শেষ আশ্রয়স্থল। ওটা ছাড়া তাদের আর গন্তব্যের জায়গা নেই। লক্ষ লক্ষ শরনার্থী সেখানে গিয়ে আশ্রয় নেয়। যার জেরে ইজরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহের সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হল।
প্রসঙ্গত, হামাসের সঙ্গের যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ওয়াশিংটন পাশে রয়েছে ইজরায়েলের। প্রথম থেকে সেদেশকে হাতিয়ার সরবরাহ করে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে মার্কিন প্রশাসন। তবে গাজায় প্যালেস্তিনীয়দের যে মৃত্যুমিছিল শুরু হয়, তা নিয়ে আমেরিকা সরব হয় ইজরায়েলের বিরুদ্ধে। তারপরও দিন কয়েক আগেই আমেরিকা গোলা বারুদ সরবরাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তেল আভিভকে। তবে এবার রাফায় ইজরায়েল অভিযান শুরু হতেই সেই সিদ্ধান্তে বদল আনতে চাইছে আমেরিকা।






