Yamuna Floods: দিল্লির বিপদ বাড়াচ্ছে যমুনা! দ্বিতীয়বার বিপদসীমার কাছে জলস্তর
মূলত উত্তর ভারতের পাহাড়ি অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি এবং হরিয়ানার হাতনিকুণ্ড ব্যারেজ থেকে বিপুল পরিমাণ জল ছাড়ার কারণেই যমুনার জলস্তর দ্রুত বাড়ছে।
Truth of Bengal: দিল্লিতে যমুনা নদীর জলস্তর লাগাতার বাড়ছে। শুক্রবার রাত ৮টা নাগাদ জলস্তর দাঁড়িয়েছে ২০৫.২৫ মিটার, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ। এ বছর ইতিমধ্যেই তৃতীয়বার সতর্কতা স্তর অতিক্রম করল যমুনা। কেন্দ্রীয় জল কমিশনের আশঙ্কা, শনিবার সকাল নাগাদ জলস্তর বিপদসীমা (২০৫.৩ মিটার) ছাড়িয়ে যেতে পারে।মূলত উত্তর ভারতের পাহাড়ি অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি এবং হরিয়ানার হাতনিকুণ্ড ব্যারেজ থেকে বিপুল পরিমাণ জল ছাড়ার কারণেই যমুনার জলস্তর দ্রুত বাড়ছে। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৮টায় ওল্ড রেলওয়ে ব্রিজে জলস্তর ছিল ২০৩.৯ মিটার। দুপুর নাগাদ তা ২০৪.৫ মিটার ছুঁয়ে ফেলে এবং বিকেল ৫টার মধ্যে বেড়ে দাঁড়ায় ২০৫.০৭ মিটারে (Yamuna Floods)।
আরও পড়ুনঃ Game On: সাগরে ‘খেলা হবে দিবস’ উদযাপন, উপস্থিত মন্ত্রী ও প্রশাসনিক ঊর্ধ্বতন
হাতনিকুণ্ড ব্যারেজ থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা থেকে ঘণ্টায় গড়ে ৪০ হাজার কিউসেকের বেশি জল ছাড় হয়। বিকেল ৩টায় ছাড় হয় সর্বোচ্চ ৬৫,৮৬১ কিউসেক। সাধারণত এই জল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দিল্লিতে এসে পৌঁছয়। ফলে শনিবার সকাল নাগাদ জলস্তর আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২৩ সালের ভয়াবহ পরিস্থিতি এখনও মনে রেখেছে দিল্লি। সেবছর ১১ জুলাই যমুনার জলস্তর রেকর্ড গড়ে উঠেছিল ২০৮.৬৬ মিটার। তুলনায় ২০২৪ সালের জলপ্রবাহ অনেক কম হলেও, এবারও বিপদসীমা অতিক্রম করা অবশ্যম্ভাবী বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।ফ্লাড অ্যান্ড ইরিগেশন ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, জলস্তর ২০৬ মিটার ছুঁলেই নিচু এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হবে (Yamuna Floods)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal
ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাইকিং করে সতর্কবার্তা দেওয়া শুরু হয়েছে। এই প্রসঙ্গে দিল্লির জলমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৩ সালের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হবে না। আইটিও ব্যারেজের সব গেট খোলা রয়েছে। প্রয়োজনে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি সম্পূর্ণ। ফ্লাড কন্ট্রোল টিম, প্রকৌশলী ও স্বেচ্ছাসেবকরা ২৪ ঘণ্টা নজরদারিতে রয়েছেন। সব ব্যারেজ, রেগুলেটর, পাম্পিং স্টেশন ও ড্রেনেজ সিস্টেম পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ব্যাকআপ পরিকল্পনাও তৈরি আছে (Yamuna Floods)।’






