উৎসবে কাশীতে দুঃস্থ মানুষদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ, ভাবনায় কবি সুদীপ চন্দ্র হালদার
এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করে।
Truth Of Bengal: দুর্গোৎসব শেষ হয়েছে, চলছে বিজয়া দশমী পর্ব। পাশাপাশি কালীপুজোর প্রস্তুতি ও শুরু হয়ে গিয়েছে দেশজুড়ে। সেই সঙ্গে রয়েছে দেওয়ালি। এই উৎসব মরসুমে দুস্থ দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ালেন উদীয়মান কবি সুদীপ চন্দ্র হালদার। বিজয়া দশমীর উৎসবের আনন্দ সমাজের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নিতে তাঁর উদ্যোগে কাশীতে আয়োজিত হল এক মানবিক খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি।

এই আয়োজনে প্রায় দুই শতাধিক মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের সহকারী অধ্যাপক ড. ববিতা বেরবেরিয়া। ডক্টর ববিতা বলেন, ‘সমাজে জাতি–ধর্ম–বর্ণ নির্বিশেষে মৌলিক অধিকার সকলের প্রাপ্য। বিজয়া দশমীর দিনে কেউ ভরপেট খাবে, আর কেউ না খেয়ে থাকবে—তা কখনোই কাম্য নয়। এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করে।’

কবি সুদীপ চন্দ্র হালদার বলেন, ‘মানুষের আত্মমর্যাদা বজায় রাখতে হলে তার মৌলিক চাহিদা পূরণ আবশ্যক। ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে ধর্মের বাণী অর্থহীন। স্বামীজির ভাষায়, ‘যদি ক্ষুধার্তকে অন্ন দিতে না পারো, তবে কিসের ধর্ম!’ বিজয়া দশমীর এই দিনে তাই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস—যেন কেউ অনাহারে না থাকে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভগবানের উপাসনার পাশাপাশি তাঁর সৃষ্টির সেবা করাও এক ধরণের পুজো।’ তিনি উপস্থিত সকলকে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানান।
এই উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেন কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী—উর্বি দুবে, সৃষ্টি যাদব, দীপাঞ্জনা চৌধুরী, যশবর্ধন শুক্লা, ভিয়োম শুক্লা, সত্যম রাজ কাশ্যব, শিবু কালাই এবং স্থানীয় থানার পুলিশ কনস্টেবল অরবিন্দ যাদব প্রমুখ।







