
The Truth of Bengal: চব্বিশে ক্ষত্রিয় প্রতিরোধের মুখে বিজেপি।মোদি শাহদের গুজরাটে বিজেপিকে জব্দ করার ডাক দিয়েছে রাজপুতদের সংগঠন। ভোটব্যাঙ্কে ধস নামতে পারে উত্তরপ্রদেশে। জয়ন্ত চৌধুরীকে ম্যানেজ করতে গিয়ে দেশের বৃহত্তম রাজ্যে সঙ্গীত সোমের অনুগামীদের বিদ্রোহের মুখে গেরুয়া শিবির। তাই উত্তরভারত থেকে পশ্চিম ভারত,সর্বত্র বিজেপি বিরোধী চোরাস্রোতের আশঙ্কা বাড়ছে।
রাজপুত বিদ্রোহ রাজ্যে রাজ্যে,কাঁপছে বিজেপির পায়ের তলার মাটি। এমনকি খোদ মোদি –শাহদের রাজ্য গুজরাটের মতোই উত্তরপ্রদেশেও বিজেপিকে উত্তর দেওয়ার হুঙ্কার দিচ্ছে উচ্চ বর্ণের ভোটাররা। গুজরাটের বিজেপি নেতা পুরুষোত্তম রূপালার বিরুদ্ধে অপমানের অভিযোগ তুলে প্রচার শুরু করেছে কয়েকটি রাজপুত সংগঠন।অভিযোগ,রূপালা রাজপুতদের ইংরেজ ভক্ত ও রুটি ও বেটির সওদাকারী বলে কটাক্ষ করেন।তাতে ক্ষুব্ধ হন গুজরাটের রাজপুতরা। মহাপঞ্চায়েত ডেকে ক্ষত্রিয় সমাজের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রূপালাকে রাজকোট থেকে হঠানোর জন্য লাগাতার প্রচার করবেন তাঁরা। রূপালাকে না সরালে বিজেপির পায়ের তলার জমি সরে যাবে বলেও হুঙ্কার দেওয়া হয়েছে। শুধু পশ্চিম ভারতেই নয়,উত্তরপ্রদেশেও রাজপুতদের গণ-বিদ্রোহে নার্ভের চাপ বেড়েছে বিজেপি।
রাজপুত নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক সঙ্গীত সোম এবার বিজেপির প্রার্থীদের হারাতে আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছেন। সঙ্গীত সোমের অনুগামীরা যোগীরাজ্যে বিজেপির ঘুম কেড়ে নেওয়ার ডাক দিয়েছেন। জানা যাচ্ছে, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের মিরাট, মুজফ্ফরনগরের মতোই গৌতম বুদ্ধ নগর, গাজিয়াবাদ, সহারনপুরে পদ্মের পথে কাঁটা বেছাতে তৈরি তাঁরা। বাগপত, বিজনৌর, সম্ভল, আলিগড়, হাথরস, মথুরা সহ প্রায় ৩০টির ওপর আসনে তাঁদের প্রভাব রয়েছে।রাজপুত ভোটার এইসব অঞ্চলে প্রায় ১০শতাংশ।ফলে জয়-পরাজয়ের রাশ এই রাজপুত রাজনীতিক তথা নিয়ন্ত্রকদের হাতেই থাকতে পারে।উত্তরপ্রদেশে রাজনাথ সিংয়ের মতো নেতা রয়েছেন রাজপুতদের প্রতিনিধি। কিন্তু রাজনাথের মতো নেতাদের সামনে রেখে বিজেপি ড্রামেজ কন্ট্রোল করতে পারবে,সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ভোটের ফল পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতেই হবে।






