দেশ

Nuclear Strike: যুক্তরাষ্ট্রের পর ইজরায়েলের হামলা, ইরানের ফোরডো পরমাণুকেন্দ্রে বিস্ফোরণ

The strike follows recent U.S. attacks, signaling rising regional tension and potential global repercussions.

Truth Of Bengal: ইরানে মার্কিন হামলার ক্ষত এখনও শুকোয়নি। এই আবহে ফের ইরানের অন্যতম সুরক্ষিত পরমাণুকেন্দ্র ফোরডোর প্রবেশপথের রাস্তায় সোমবার সকালেই (ইজরায়েলি সময়) বিমান হানা চালায় ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। এই হামলা প্রসঙ্গে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইজরায়েল কাট্‌জ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মূলত ইরানের সরকারি দফতর, সামরিক সদর দফতর এবং পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রগুলিই তাদের লক্ষ্য। সোমবার সকাল থেকে ইরানের রাজধানী তেহরান সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় হামলা শুরু করেছে ইজরায়েলি সেনা। আক্রমণ চালানো হয়েছে তেহরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সদর দফতর, বাসিজ বাহিনীর ঘাঁটি, নিরাপত্তা বিভাগ সহ একাধিক জায়গায় (Nuclear Strike)

এর আগে রবিবার ভোরে (ভারতীয় সময়) ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণুকেন্দ্রে বাঙ্কার-বাস্টার বোমা ফেলে হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা। সেই তালিকায় ছিল ফোরডো-ও। মার্কিন ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর আওতায় আঘাত হানে বি-২ বম্বার। যদিও সেই হামলায় ফোরডোর কতটা ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। ফোরডো পরমাণুকেন্দ্রটি তেহরান থেকে ১০০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে একটি পাহাড়ের নিচে, মাটির প্রায় ৩০০ ফুট গভীরে অবস্থিত। এটি ইরানের সবচেয়ে গোপনীয় এবং সুরক্ষিত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণ কেন্দ্র, যেখানে ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ ইউরেনিয়াম তৈরি হয়(Nuclear Strike)

এটি ইজরায়েলের নিরাপত্তার জন্য তো বটেই, আমেরিকারও অন্যতম প্রধান উদ্বেগের কারণ। জাতিসংঘের পরমাণু সংস্থা জানিয়েছে, এই কেন্দ্রে বড়সড় ক্ষতির আশঙ্কা প্রবল।  ইরানে পরপর মার্কিন হামলার পরেই ‘প্ল্যানেট ল্যাবস পিবিসি’ নামক এক উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণ সংস্থা এমনই চিত্র তুলে ধরেছে। চিত্র অনুযায়ী, হামলার আগে বাদামি রঙের পাহাড়ের একাংশ বর্তমানে ধূসর হয়ে গেছে — যা স্পষ্ট প্রমাণ দেয় বোমার ধ্বংসলীলার(Nuclear Strike)

ইরানও পাল্টা জবাব দিতে পিছিয়ে নেই। ইতিমধ্যেই সীমান্ত এলাকায় ইরান রকেট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বলে সূত্রের দাবি। দুই দেশের টানা সংঘর্ষ সোমবার ১১তম দিনে পা দিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইজরায়েলের এই ধারাবাহিক অভিযান আগামী দিনে গোটা পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়াবে, যার প্রভাব আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি বাজারেও পড়তে পারে(Nuclear Strike)

Related Articles