দেশ

Uttar Pradesh: যোগীরাজ্যে ফের ধর্ষণ! তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগে চাঞ্চল্য

সোমবার (১১ আগস্ট) রাতে কোতোয়ালি এলাকার বাহাদুরপুরে ঘটনাটি ঘটে। তরুণী মূক ও বধির হওয়ায় সাহায্য চাইতে পারেননি।

Truth of Bengal: ফের ধর্ষণের ঘটনা যোগীরাজ্যে। এবার গণধর্ষণের শিকার মূক ও বধির এক তরুণী।  উত্তরপ্রদেশের বলরামপুরে বিশেষভাবে সক্ষম ২২ বছরের এক তরুণীকে অপহরণের পর গণধর্ষণের অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার (১১ আগস্ট) রাতে কোতোয়ালি এলাকার বাহাদুরপুরে ঘটনাটি ঘটে। তরুণী মূক ও বধির হওয়ায় সাহায্য চাইতে পারেননি। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সরকারি বাসভবনের অদূরেই ওই ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বন্ধ থাকায় এই ঘটনাটি সামনে আসে পুলিশ সুপারের বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজের মারফত। সেখানে দেখা গেছে, রাতের অন্ধকারে তরুণী প্রাণ বাঁচাতে দৌড়চ্ছেন, আর কয়েকজন যুবক বাইকে করে তাঁর পিছু ধাওয়া করছে। ফুটেজটি ভাইরাল হওয়ার পরই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে (Uttar Pradesh)।

আরও পড়ুন: Wall Tragedy: শিলিগুড়ি সংলগ্ন সাহুডাঙ্গী এলাকায় প্রবল বৃষ্টিতে গার্ডওয়াল ভেঙে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

পুলিশ জানিয়েছে, রাত ৮টার দিকে মামার বাড়ি থেকে হেঁটে ফিরছিলেন তরুণী। পথে কয়েকজন যুবক তাঁর পথ আটকায়। এক যুবক জোর করে তাঁকে মোটরবাইকে তুলে নির্জন জায়গায় নিয়ে যায় এবং সেখানে অভিযুক্তরা তাঁকে ধর্ষণ করে। রাত ৯টার পরও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজ শুরু করেন এবং পুলিশ চৌকির কাছে একটি ঝোপের মধ্যে অচেতন অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে জেলা মহিলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিশাল পাণ্ডে জানিয়েছেন, মেডিক্যাল পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। তরুণীর জ্ঞান ফেরার পর তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ঘটনার পরই পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে বুধবার ভোরে দুই অভিযুক্ত অঙ্কুর ভার্মা (২১) ও হর্ষিত পান্ডে (২২) কে গ্রেফতার করেছে (Uttar Pradesh)।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1ADtx3ZZeU/

অন্য কেউ এই ঘটনায় জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।  পুলিশের এনকাউন্টারে গুরুতর আহত দুই অভিযুক্ত। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাদের। বলা বাহুল্য, বর্তমানে  উত্তরপ্রদেশে ‘অপারেশন ত্রিনেত্র’ শুরু করার পর শয়ে শয়ে সিসিটিভি মোতায়েন করা হয়েছে রাজ্যজুড়ে। আইনশৃঙ্খলার দিকে নজর রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু এদিনের ঘটনায় প্রশ্ন উঠল সিসিটিভির কার্যকারিতা নিয়ে। ঘটনাস্থলে চারটি ক্যামেরা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। পুলিশ সুপারিটেন্ডেন্টের বাড়ির কাছের সিসিটিভিটি খারাপ থাকলে অভিযুক্তদের ধরা কঠিন হয়ে যেত বলেই মনে করা হচ্ছে। কেন ওই এলাকায় ছিল না সিসিটিভি ফুটেজ তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এই পুরো ঘটনায় আবার সামনে এল যোগী রাজ্যের গাফিলতির চিত্র (Uttar Pradesh)।

Related Articles