Meghalaya Murder Case: মেঘালয়ের ‘হানিমুন মার্ডার’ মামলায় বিচারকের সামনে বিরূপ ২ আততায়ী
সূত্রের খবর, আকাশ রাজপুত এবং আনন্দ কুড়মি নামে দুই আততায়ীকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বৃহস্পতিবার হাজির করানো হয়।
Truth of Bengal: মেঘালয়ের হানিমুন মার্ডার মামলায় পরতে পরতে রহস্য। প্রায় রোজই তদন্তে নতুন নতুন মোড় এসে আরও জটিল করে তুলছে মামলাটিকে। ইতিমধ্যেই রাজা রঘুবংশী খুনের তিন আততায়ীই পুলিশের কাছে হত্যায় জড়িত থাকার কথা কবুল করেছে বলে দাবি করেছিলেন তদন্তকারীরা। কিন্তু তাদের মধ্যে দু’জন এবার আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তি দিতে রাজি হল না। সূত্রের খবর, আকাশ রাজপুত এবং আনন্দ কুড়মি নামে দুই আততায়ীকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বৃহস্পতিবার হাজির করানো হয়। কিন্তু তারা বিচারকের সামনে মুখে কুলুপ এঁটে থাকে ( Meghalaya Murder Case)।
শিলং শহরের পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট এবং বিশেষ তদন্তকারী দলের (এসআইটি) শীর্ষ আধিকারিক হারবার্ট পিনিয়াইদ খারকোঙ্গর জানিয়েছেন, ‘এই ঘটনায় পাঁচ অভিযুক্তর মধ্যে ওই দু’জনকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো হয়েছিল। তারা বিচারকের কাছে বয়ান না দিলেও তাদের বিরুদ্ধে আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। আপাতত আমরা ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছি।’
[আরও পড়ুনঃ CM Siddaramaiah: বড় চাপে সিদ্দারামাইয়া, যেতে পারে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার]
গত মাসের ১১ তারিখ বিয়ে হয় রাজা রঘুবংশী ও সোনমের। ইন্দোরে বিয়ের অনুষ্ঠান সেরে তাঁরা মধুচন্দ্রিমায় যান মেঘালয়ে। এর পরই গত ২৩ মে থেকে দুজনের খোঁজ আর পাওয়া যায়নি। অনেক পরে নংরিয়াতে একটি হোমস্টে-তে আশ্রয় নেন সোনম। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, রীতিমতো ছক সাজিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছিল সোনম, তার প্রেমিক ও বন্ধুরা। চলতি মাসের ২ তারিখ রাজা রঘুবংশীর দেহ পাওয়া যায় ( Meghalaya Murder Case)।
এর পর ৮ জুন উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে ফের সাক্ষাৎ পাওয়া যায় সোনমের। এরপরই নন্দগঞ্জ থানায় আত্মসমর্পণ করে সোনম। সোনমকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার আরও সঙ্গীসাথীর সন্ধান মেলে। গ্রেফতার করা হয় আকাশ, বিশাল এবং আনন্দকে। পরে গ্রেফতার করা হয় সোনমের প্রেমিক রাজকেও।
[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal]
এর আগে মেঘালয় পুলিশ দাবি করেছিল, এই ঘটনায় সব অভিযুক্তই তাদের অপরাধ স্বীকার করেছে। এই প্রসঙ্গে শিলংয়ের এসপি হারবার্ট পিনিয়াইদ খারকোঙ্গর জানিয়েছেন, পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি আদালতে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, ‘অভিযুক্তরা যে স্বীকারোক্তি দিতে চায়নি সেটা তাদের অধিকার। তবে আমাদের কাছে তাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ রয়েছে। এই মামলায় আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে।’
উল্লেখ্য, এই হত্যাকান্ডে বুধবারই ইন্দোরের পালাসিয়া এলাকা থেকে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ উদ্ধার করেছিল মেঘালয় পুলিশের একটি দল। সূত্রের খবর, সেই ব্যাগের মধ্যে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ, একটি মোবাইল ফোনও পাওয়া গিয়েছিল। এই জিনিসগুলি মেঘালয় মার্ডার মামলার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।



