মহারাষ্ট্র মহিলা চিকিৎসক আত্মঘাতী: ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে ধরা পড়ল চাঞ্চল্যকর তথ্য
ধৃতের বোনের বক্তব্য, পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করতে চেয়েছিলেন তাঁর দাদা এবং সেই তরুণী চিকিৎসক তাঁর দাদাকে নিয়মিত ফোন ও নিগ্রহ করতেন।
Truth Of Bengal: পুলিশ আধিকারিকের লাগাতার ধর্ষণের জেরে এক তরুণী চিকিৎসকের আত্মঘাতীর ঘটনায় জোর শোরগোল পড়েছে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে। ইতিমধ্যেই, অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিক এবং বাড়ির মালিকের ছেলে গ্রেফতার হয়েছে। তবে এবার এই ঘটনায় এলো নতুন মোড়। বলা ভালো, উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। কী সেই তথ্য? ধৃত বাড়ির মালিকের ছেলের বোন এবার মুখ খুলেছেন এবং জানিয়েছেন যে দাদাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন মৃত চিকিৎসক, কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করা হয়।
ধৃতের বোনের বক্তব্য, পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করতে চেয়েছিলেন তাঁর দাদা এবং সেই তরুণী চিকিৎসক তাঁর দাদাকে নিয়মিত ফোন ও নিগ্রহ করতেন। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, “গত এক বছর ধরে ওই চিকিৎসক আমাদের বাড়িতে ছিলেন মাসিক চার হাজার টাকা ভাড়ায়। ডেঙ্গি হয়েছিল বলে আমার দাদা গত মাসে ফলটনে আসেন। তখন ওই চিকিৎসক চিকিৎসা করেছিলেন তাঁকে। তখনই একে অপরের নম্বর নেওয়া হয়েছিল। মৃত্যুর ১৫ দিন আগে আমার দাদাকে সেই চিকিৎসক বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু তা গ্রহণ করেননি আমার দাদা। দীপাবলীর সময়ও চিন্তিত দেখাচ্ছিল ওই চিকিৎসককে। তবে আমরা ভেবেছিলাম হয়তো কাজের চাপের জন্য চিন্তিত।”
অভিযুক্তের বোন এটাও জানান যে দুজনের ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের কথাবার্তার তথ্য ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, তিনি এটাও দাবি করেন যে মৃত চিকিৎসক তাঁদের পরিবারের সদস্যের মতো ছিলেন। এই ব্যাপারে এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, “দুজনের মধ্যে অজস্র কল রেকর্ডিং ও চ্যাট উদ্ধার হয়েছে। যেখানে চাপ, স্ট্রেসের বিষয়ে কথা বলছেন ওই চিকিৎসক।” সেই অভিযুক্তকে আদালতের তরফ থেকে পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত।






