Truth Of Bengal: মধ্যপ্রদেশের শিবপুরি জেলায় ফের সামনে এল সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার চরম দুরবস্থা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এক চাঞ্চল্যকর ভিডিও। যেখানে দেখা গিয়েছে, এক হাতে স্যালাইনের বোতল ঝুলছে, অন্য হাতে আইভি ড্রিপ গোঁজা, এমন অবস্থায় বাজারে হাঁটছেন এক রোগী। ঘটনাটি ঘটেছে শিবপুরি জেলার সিরসাউদ গ্রামে। এই ভিডিও সত্যতা যাচাই করেনি আমাদের পোর্টাল।
शिवपुरी जिले के सिरसौद गांव में बुधवार सुबह 11 बजे एक मरीज का हाथों में ड्रिप बोतल लगाए बीच सड़क पर चलते हुए वीडियो वायरल हुआ है, प्राप्त जानकारी के अनुसार जब व्यक्ति से इसके बारे पूछा तो उसने बताया कि उसे टॉयलेट आई थी, सबसे बड़ा सवाल है कि क्या चिकित्सालय में टॉयलेट नहीं थी ? pic.twitter.com/5IoqtSY9rf
— Gwalior News Live (@GwaliorNewsLive) October 31, 2025
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির চিকিৎসা চলছিল এক ভুয়ো ডাক্তারের কাছে। অভিযোগ, চিকিৎসক স্যালাইন লাগিয়ে রেখে মাঝপথে ক্লিনিক ছেড়ে চলে যান। এরপরই অসুস্থ অবস্থায় রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন ওই রোগী। পথচারীরাই সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন।ভিডিও ভাইরাল হতেই এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এই ঘটনা শিবপুরির স্বাস্থ্যব্যবস্থার করুণ চিত্রকে আবারও নগ্ন করে তুলেছে। এর আগেও জেলা হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরির ঘটনায় ব্যাপক বিতর্ক হয়েছিল।
শিবপুরির মুখ্য চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য আধিকারিক সঞ্জয় ঋষেশ্বর জানিয়েছেন,’ ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তবে যদি দেখা যায় রোগীকে এভাবে স্যালাইন লাগিয়ে ফেলে রাখা হয়েছিল, তা হলে সেটি গুরুতর গাফিলতি হিসেবে গণ্য হবে।‘ তিনি আরও বলেন, যদি প্রমাণ হয় যে চিকিৎসা বেসরকারি বা অনুমোদনবিহীন ক্লিনিকে হচ্ছিল, তবে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আর ভুয়ো ডাক্তারের সম্পৃক্ততা ধরা পড়লে আইনানুগ ব্যবস্থা করা হবে।
এ ঘটনা নতুন নয়। শিবপুরি জেলা বিগত কয়েক বছরে নবজাতক চুরি, অনুমোদনহীন চিকিৎসা ও হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা—একাধিক কাণ্ডে শিরোনামে এসেছে।সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী,মধ্যপ্রদেশে প্রতি ১,৪৬০ জন নাগরিকের জন্য রয়েছেন মাত্র একজন চিকিৎসক।রাজ্যের জনসংখ্যা প্রায় ৭.২৬ কোটি, যেখানে চিকিৎসক থাকা উচিত ছিল প্রায় ৮৯,০০০ জন। বাস্তবে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে রয়েছেন মাত্র ৪৯,৭৩০ জন চিকিৎসক।
গ্রামীণ এলাকায় অবস্থা আরও শোচনীয়। ‘রুরাল হেলথ স্ট্যাটিস্টিক্স’ রিপোর্ট অনুযায়ী, মধ্যপ্রদেশে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ঘাটতি ৯৪ শতাংশ, যা দেশের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। এক হাতে স্যালাইন নিয়ে রাস্তায় হাঁটতে থাকা রোগীর এই ছবি শুধু আবারও মধ্যপ্রদেশের গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভয়ঙ্কর বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। প্রশাসন তদন্তের আশ্বাস দিলেও, স্থানীয়দের প্রশ্ন একটাই, কবে উন্নত হবে এই রাজ্যের চিকিৎসা পরিকাঠামো?






