দেশ

Kanpur Assault Case: সহকর্মীকে চুমু খেতে গিয়ে জিহ্বার অংশ খোয়ালেন বিবাহিত যুবক!

অভিযোগ, তাঁকে শ্লীলতাহানি ও জোর করে চুম্বন করতে গেলে ওই মহিলা এমন শিক্ষা দিলেন, যা হয়তো জীবনভর ভুলতে পারবেন না সেই যুবক।

Truth of Bengal: উত্তরপ্রদেশের কানপুরে ঘটেছে এক অদ্ভুত ঘটনা। এক বিবাহিত যুবক নাকি তাঁর প্রেমিকার সঙ্গে জোর করে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। অভিযোগ, তাঁকে শ্লীলতাহানি ও জোর করে চুম্বন করতে গেলে ওই মহিলা এমন শিক্ষা দিলেন, যা হয়তো জীবনভর ভুলতে পারবেন না সেই যুবক। জানা গিয়েছে, ৩৫ বছর বয়সী সেই যুবকের নাম চাম্পি। কানপুরের বাসিন্দা এই যুবকের বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও ওই মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলে খবর। কিন্তু সম্প্রতি মেয়েটির পরিবারের তরফে অন্য জায়গায় তাঁর বিয়ে ঠিক হওয়ায় পরিস্থিতি পাল্টে যায়।

পুলিশ সূত্রে খবর, প্রেমিকার বিয়ে ঠিক হওয়ায় মন খারাপ ছিল চাম্পির। মেয়েটি এরপর চাম্পির থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে শুরু করেন। কিন্তু চাম্পি প্রায়শই তাঁর সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করতেন বলে অভিযোগ। সোমবার দুপুরে মেয়েটি যখন পুকুরে গিয়েছিলেন, সেই সুযোগ কাজে লাগান চাম্পি। তাঁকে একা দেখতে পেয়ে পিছু নেন। পুকুরের কাছে গিয়েই তিনি মহিলাকে জাপটে ধরে শ্লীলতাহানি করতে শুরু করেন।

মহিলা প্রতিরোধ করার এবং নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও চাম্পি থামেননি। এরপর তিনি জোর করে মেয়েটিকে চুম্বন করতে যান। আর তখনই ঘটে যায় সেই অদ্ভুত কাণ্ড। পুলিশের কাছে অভিযোগ, জোর করে চুম্বন করার সময় মেয়েটি রাগে ও আত্মরক্ষার জন্য সজোরে চাম্পির জিভে কামড় বসিয়ে দেন। কামড় এত জোরে ছিল যে চাম্পির জিভের একটি অংশ কেটে আলাদা হয়ে যায়!

জিভের অংশ কেটে যাওয়ায় যন্ত্রণায় চিৎকার করে ওঠেন চাম্পি। রক্তপাতও শুরু হয় তীব্র গতিতে। তাঁর চিৎকার শুনে গ্রামের লোকজন জড়ো হন এবং চাম্পির পরিবারকে খবর দেন। দ্রুত তাঁকে স্থানীয় কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে (CHC) নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর, চিকিৎসকরা চাম্পিকে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য কানপুরের একটি বড় হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেছেন। উপ-পুলিশ কমিশনার দীনেশ ত্রিপাঠি এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, ওই যুবকের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রেমিকার বিয়ে ঠিক হওয়ার পর এই জোরজুলির ফল যে এতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে, তা হয়তো চাম্পিও কল্পনা করেননি!

Related Articles