দেশ

SIM Trafficking: ISI-কে ভারতীয় সিমকার্ড সরবরাহ, গ্রেফতার নেপালি নাগরিক

পুলিশের দাবি, আইএসআই তাঁকে ভুলিয়ে-বলিয়ে সিমকার্ড জোগাড়ে রাজি করায়।

Truth of Bengal: অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর এজেন্টদের ভারতীয় সিমকার্ড সরবরাহ করছিলেন এক নেপালি নাগরিক। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে পূর্ব দিল্লির লক্ষ্মীনগর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম প্রভাত কুমার চৌরাশিয়া, বয়স ৪৩। তিনি নেপালের বীরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। তবে  বর্তমানে  তিনি  ভারতে বসবাস করছিলেন (SIM Trafficking)।

আরও পড়ুনঃ Fake Notes: জাল ভারতীয় নোট সহ গ্রেফতার এক যুবক 

পুলিশের দাবি, আইএসআই তাঁকে ভুলিয়ে-বলিয়ে সিমকার্ড জোগাড়ে রাজি করায়। তাঁকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়—কাজ সম্পন্ন করতে পারলে মার্কিন ভিসা এবং আমেরিকায়  চাকরির সুযোগ দেওয়া হবে। সেই প্রলোভনে পড়ে নিজের আধার কার্ড ব্যবহার করে এক বেসরকারি টেলিকম সংস্থা থেকে অন্তত ১৬টি সিমকার্ড সংগ্রহ করেন প্রভাত। এরপর সেগুলি নেপালে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং সেখান থেকে পাকিস্তানে পাচার করা হয়।দিল্লি পুলিশের গোয়েন্দা শাখা জানায়, অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন এই সিমগুলির মধ্যে অন্তত ১১টি পাকিস্তানের লাহোর, ভাওয়ালপুরসহ একাধিক জায়গা থেকে সক্রিয় হতে দেখা যায়। ওই সিম ব্যবহার করে হোয়াট্‌সঅ্যাপ এবং অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ভুয়ো অ্যাকাউন্ট তৈরি করা হয়েছিল  বলে খবর (SIM Trafficking)।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বুধবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক বৈদ্যুতিন ডিভাইস এবং সিমকার্ডের খালি প্যাকেট। প্রভাত কুমার চৌরাশিয়ার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬১(২), ১৫২ সহ একাধিক ধারায় গুপ্তচরবৃত্তিতে সহায়তার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। প্রভাতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা চলছে। সেইসঙ্গে এই সিম পাচাররের ঘটনায় আর কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা চলছে।  এই ঘটনার পর নিরাপত্তা সংস্থাগুলি আরও সতর্ক হয়েছে এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, ভারতের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারে এমন নেটওয়ার্ক কঠোরভাবে দমন করা হবে (SIM Trafficking)।

Related Articles