Chhattisgarh: কুকুরে খাওয়া মিড-ডে মিল খেয়ে জলাতঙ্ক টিকা নিল ৭৮ পড়ুয়া
শিশুরা বাড়ি ফিরে পুরো ঘটনা জানালে ক্ষুব্ধ হন অভিভাবক ও গ্রামবাসীরা।
Truth Of Bengal: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বালোদাবাজার জেলার পালারি ব্লকের লচ্ছনপুর গ্রামে ছড়াল উত্তেজনা। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলের খাবারে মুখ দিল এক বেওয়ারিশ কুকুর। তা জেনেও থেমে থাকেনি খাবার পরিবেশন। প্রায় ৭৮ জন ছাত্রছাত্রীকে সেই খাবারই পরিবেশন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় ছড়িয়েছে প্রবল চাঞ্চল্য। জানা গিয়েছে, স্কুলে মিড-ডে মিল তৈরির সময় রান্না করা সবজিতে ঢুকে পড়ে একটি নেড়ি কুকুর। কয়েকজন পড়ুয়া বিষয়টি শিক্ষককে জানান। শিক্ষকরা স্ব-সহায়তা গোষ্ঠীকে সতর্ক করলেও তারা অভিযোগ অগ্রাহ্য করে। শেষে সেই খাবারই পরিবেশিত হয় ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে।
[আরও পড়ুন: Student Recognition: শ্রীরামপুরে রক্তদান ও কৃতী ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা শিবিরে উপস্থিত মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ]
শিশুরা বাড়ি ফিরে পুরো ঘটনা জানালে ক্ষুব্ধ হন অভিভাবক ও গ্রামবাসীরা (Chhattisgarh)। তাঁরা স্কুলে এসে বিক্ষোভ দেখান এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ঝলেন্দ্র সাহু সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পরে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে প্রায় ৭৮ জন শিশুকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। লচ্ছনপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ইনচার্জ ডাঃ বীণা ভার্মা জানান, ‘শুধুমাত্র সাবধানতার জন্য জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। কোনও সংক্রমণ ধরা পড়েনি।’ তিনি আশ্বস্ত করেন, টিকার কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং এটি অভিভাবকদের অনুরোধে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার গুরুত্ব বুঝে স্কুলে পৌঁছন এসডিএম দীপক নিকুঞ্জ, ব্লক শিক্ষা আধিকারিক নরেশ ভার্মা ও অন্যান্য প্রশাসনিক কর্তারা (Chhattisgarh)। তাঁরা শিক্ষক, পড়ুয়া, অভিভাবক ও স্কুল পরিচালনা কমিটির সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার রেকর্ড রাখেন। তবে তদন্ত চলার সময়ও মিড-ডে মিল প্রস্তুতকারী স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কোনও সদস্য স্কুলে উপস্থিত ছিলেন না, যা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। খবর সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে রাজনৈতিক মহলও।
[আরও পড়ুন: Flood Relief: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বর্ধমানের বন্যাকবলিত এলাকায় মন্ত্রীর ত্রাণ বিতরণ]
আঞ্চলিক বিধায়ক সন্দীপ সাহু ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাইকে চিঠি লিখে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি, শিশুদের জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ইনজেকশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত কে বা কোন স্তর থেকে নিয়েছে, তারও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এই ঘটনা রাজ্যজুড়ে মিড-ডে মিলের গুণমান এবং স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে (Chhattisgarh)। শিশুদের পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রবল ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ। দ্রুত দোষীদের শাস্তি এবং আরও কড়া নজরদারির দাবিতে সরব তাঁরা।






