Cyclone: বঙ্গোপসাগরে জন্ম নিল নতুন ঘূর্ণিঝড় ‘মোথা’! কবে হবে ল্যান্ডফল?
তামিলনাড়ু, আন্ধ্রপ্রদেশ ও পুদুচেরির উপকূলবর্তী এলাকায় প্রবল বাতাস, ভারী বৃষ্টিপাত এবং উত্তাল সমুদ্রের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
Truth of Bengal: বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে নতুন নিম্নচাপ। আগামী সপ্তাহেই তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে ভারতের আবহাওয়া দফতর । শুক্রবার মৌসুম ভবনের সর্বশেষ বুলেটিনে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম ও সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি এই নিম্নচাপ ২৬ অক্টোবরের মধ্যে গভীর নিম্নচাপে এবং ২৭ অক্টোবর সকালে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পর সাগর অশান্ত হয়ে উঠবে।
তামিলনাড়ু, আন্ধ্রপ্রদেশ ও পুদুচেরির উপকূলবর্তী এলাকায় প্রবল বাতাস, ভারী বৃষ্টিপাত এবং উত্তাল সমুদ্রের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। সেই কারণে ইতিমধ্যেই মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বাংলায় পড়বে কিনা তা স্পষ্ঠ নয়। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখা হবে ‘মোথা’ । নামটি প্রস্তাব করেছে থাইল্যান্ড। থাই ভাষায় ‘মোথা’ শব্দের অর্থ সুগন্ধি ফুল বা সুন্দর ফুল।বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়গুলির নামকরণ করে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা প্যানেল অন ট্রপিক্যাল সাইক্লোনস। আর এই সংস্থার অন্তর্ভুক্ত মোট ১৩টি দেশ।
সেইসকল দেশগুলির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ইয়েমেন। প্রতিটি দেশ ঘূর্ণিঝড়ের জন্য নামের একটি তালিকা দেয়, যা পর্যায়ক্রমে ব্যবহৃত হয়। এই নামকরণের উদ্দেশ্য হলো ঝড়ের পরিচিতি, পর্যবেক্ষণ ও সতর্কতা আরও সহজ করা।চেন্নাইয়ের আঞ্চলিক আবহাওয়া কেন্দ্র ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ু, পুদুচেরি ও কারাইকালের উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য বিশেষ আবহাওয়া সতর্কতা জারি করেছে। সমুদ্রপথে চলাচলকারী জাহাজ ও মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনও সর্বস্তরে প্রস্তুতি নিচ্ছে।






