বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই বড় ধামাকা! উদয়পুর থেকে ফিরেই সুখবর দিলেন বিজয়-রশ্মিকা
এক অনন্য নজির গড়লেন নবদম্পতি
Truth of Bengal: বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানার বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এল এক বড় ঘোষণা। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরে জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের পর থেকেই এই তারকা দম্পতি সংবাদ শিরোনামে রয়েছেন। তবে এবার কোনও গ্ল্যামারাস অনুষ্ঠান নয়, বরং সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য নজির গড়লেন নবদম্পতি। বিয়ের আনন্দ ভাগ করে নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মিষ্টি বিতরণের পাশাপাশি মেধাবী পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ বৃত্তির কথা ঘোষণা করেছেন তাঁরা।
তেলঙ্গানার নাগরকুরনুল জেলায় বিজয়ের আদি গ্রাম। সম্প্রতি সেখানেই সপরিবারে গিয়ে পূজা দেন বিজয় ও রশ্মিকা। বিজয়ের হায়দরাবাদের বাড়িতেও বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সমাজমাধ্যমে সেই সব ঘরোয়া মুহূর্তের ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল। তবে অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল পড়ুয়াদের জন্য বিজয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘দেবেরাকোন্ডা চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নতুন উদ্যোগ। ওই জেলার ৪৪টি সরকারি স্কুলের নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্কলারশিপ বা বিশেষ আর্থিক বৃত্তির কথা ঘোষণা করেছেন এই জুটি।
বিজয় দেবেরাকোন্ডা এদিন জানান, গ্রামে তাঁদের একটি বাড়ি এবং শস্য কল রয়েছে। শিকড়ের টানে এখন থেকে তিনি মাঝেমধ্যেই গ্রামে আসবেন এবং এলাকাবাসীর পাশে দাঁড়াবেন। বিজয়ের এই জনহিতকর ঘোষণার সময় পাশে ছিলেন রশ্মিকা, বিজয়ের মা ও ভাই। পরিবারের সদস্যদের করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ। অভিনেতা আশ্বাস দিয়েছেন, গ্রামের উন্নয়নে আরও বড় কিছু করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। প্রসঙ্গত, বিয়ের রেশ এখনও টাটকা। ৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে তাঁদের গ্র্যান্ড রিসেপশন বা প্রীতিভোজ। যেখানে তেলুগু, তামিল এবং হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির নামজাদা তারকাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তবে উৎসবের আবহেও দুস্থ পড়ুয়াদের পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের মনে তাঁদের জন্য শ্রদ্ধা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।






