Aparajita Adhya: মধ্যরাতে ‘মহাফাঁপরে’ লক্ষ্মী কাকিমা! কেন মাঝরাতে মুশকিলে পড়েছিলেন অপরাজিতা আঢ্য?
অপরাজিতা আঢ্য প্রতি বছর যে দোকান থেকে মায়ের পোশাক এবং সাজসজ্জার সরঞ্জাম কিনে থাকেন, এই বছর বৃষ্টির কারণে সেই দোকানের বেশিরভাগ অংশ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।
Truth of Bengal: প্রতি বছরই যেন তাঁর হাতে ‘প্রাণ’ ফিরে পান মা লক্ষ্মী। বেহালার বাসভবনে অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য-এর কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো মানেই এক জাঁকজমকপূর্ণ উৎসব। নিজে হাতে প্রতিমা সাজানো থেকে শুরু করে ভোগের রান্না— সবকিছুর প্রধান দায়িত্বে থাকেন তিনি। আর টেলিপর্দার জনপ্রিয় ‘লক্ষ্মী কাকিমা’র লক্ষ্মীপুজো মানেই তো এলাহি আয়োজন! এবছরও কাজ ও শুটিংয়ের চরম ব্যস্ততার মধ্যেও অপরাজিতা মাকে নতুন করে সাজানোর জন্য মধ্যরাতে বেরিয়েছিলেন পোশাক কিনতে। কিন্তু সেখানেই পড়েন মহাফাঁপড়ে! রাত আড়াইটে নাগাদ প্রতিমা সাজাতে সাজাতে সেই মজার অভিজ্ঞতার কথা অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী (Aparajita Adhya)।
View this post on Instagram
আরও পড়ুনঃ Wangchuk Arrest: NSA-তে আটক সোনম ওয়াংচুক মামলায় কেন্দ্র ও জেল সুপারকে সুপ্রিম কোর্টের নোটিস
অপরাজিতা আঢ্য প্রতি বছর যে দোকান থেকে মায়ের পোশাক এবং সাজসজ্জার সরঞ্জাম কিনে থাকেন, এই বছর বৃষ্টির কারণে সেই দোকানের বেশিরভাগ অংশ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। দোকানদার তাঁকে সেই কথা জানালেও তখন আর অন্য উপায় ছিল না। কারণ, তখন অনেক রাত; বেহালায় ফিরে আর কোনো দোকান খোলা পাবেন না তিনি। অগত্যা, সেই ক্ষতিগ্রস্ত দোকানেই তাঁকে ‘খড়ের গাদার মধ্যে সূচ খোঁজা’র মতো দেবীর পোশাক খুঁজতে হয়। শেষমেশ জরির কাজ করা গোলাপি রঙের একটি লেহেঙ্গা খুঁজে পান অপরাজিতা। আর সেই পোশাকেই এবার মা লক্ষ্মীকে ‘রাধারানী’ রূপে সাজিয়েছেন তিনি। সোনার মুকুট ও অলঙ্কারে সজ্জিতা দেবীর রূপ সত্যিই চোখ ফেরানো দায় (Aparajita Adhya)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1GbdnH1jqc/
অভিনেত্রী একটি মজার তথ্যও জানালেন। তাঁর বিশ্বাস, “মা লক্ষ্মীর অসুবিধে হলে, তিনি নিজেই সেই গয়না গা থেকে খুলে ফেলেন। সেটা আর পরাই না। আর যে গয়না পছন্দ, সেটা অনায়াসেই মাকে পরানো যায়।” পুজোর আয়োজন সম্পর্কে ‘লক্ষ্মী কাকিমা’ জানান, তাঁর শাশুড়ি আগেই ঠাকুরঘর পরিষ্কারের কাজ সেরে রেখেছিলেন। নারকেল নাড়ু, এলোঝেলো-সহ সব ধরনের মিষ্টি তিনি নিজে হাতে বানিয়েছেন। কোভিডের পর থেকে তাঁরা আর নির্জলা উপবাস রাখেন না। ফল, ছাতুর শরবৎ খেয়েই পুজোর কাজ সারেন। কারণ অপরাজিতার বিশ্বাস, মনের ভক্তিই আসল; মন শুদ্ধ তো সব শুদ্ধ। ভোগের তালিকায় কী কী থাকছে? খিচুড়ি, পোলাও, ভাজা, রকমারি তরকারি, চাটনি এবং মিষ্টি সহ বিভিন্ন পদ রয়েছে। মায়ের পাশাপাশি অপরাজিতাও এবার নিজের জন্য সোনার গয়না কিনেছেন বলে জানা গেল (Aparajita Adhya)।






