রাজ্যের খবর

জঙ্গি দমনে জিরো টলারেন্স নীতি রাজ্যের,কাঁকসায় ধরা পড়ল জঙ্গি মডিউলের চাঁই

The state's zero tolerance policy against militancy

The Truth of Bengal: বড়সড় সাফল্য পেল এসটিএফ। কাঁকসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে,মহম্মদ হাবিবুল্লা নামে এক যুবককে। অভিযুক্ত হাবিবুল্লার সঙ্গে বাংলাদেশের জঙ্গি গোষ্ঠী শাহদতের যোগ রয়েছে বলে দাবি এসটিএফ কর্তাদের একাংশের। অভিযুক্ত ইউটিউব চ্যানেল খুলে প্রচারে নামতে চায়। এমনকি সে আইএসআইএসের মতো পতাকা তৈরি করে জঙ্গি কার্যকলাপ বাড়ানোর ছক কষে বলেও চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে। হাবিবুল্লার বিরুদ্ধে ইউএপিএ ধারায় মামলা দায়ের। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে টার্গেট  করার অভিযোগ ওঠে রাজারাম রেগার বিরুদ্ধে। মুম্বই থেকে অভিযুক্তকে ধরে নিয়ে আসে কলকাতা পুলিশ। অভিযোগ ওঠে  শহরে রেইকি করে দুষ্কর্মের ছক কষে মুম্বই হামলার সঙ্গে জড়িত সংগঠনের  সেই সদস্য। এবার পঃবর্ধমানের কাঁকসা থেকে  ধরা পড়ল বাংলাদেশের জঙ্গি গোষ্ঠী শাহদতের সদস্য মহম্মদ হাবিবুল্লা।

বড়সড় সাফল্যে এসটিএফের। অভিযুক্ত হাবিবুল্লা কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়ছিল। বছর একুশের এই যুবক, মাধ্যমিক – উচ্চমাধ্যমিকে আশি শতাংশের বেশি নম্বর নিয়ে পাশ করে। এপার বাংলা থেকেই  ওপার বাংলার নব্য মডিউলের মাধ্যমে জঙ্গি কার্যকলাপের জাল বিস্তারের চেষ্টা করে সে। এই সমস্ত তথ্যপ্রমাণ হাতে নিয়ে  এসটিএফ এই জঙ্গিকে কাঁকসা থেকে গ্রেফতার করে বড়সড় সাফল্য পেল বলা যায়।ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির মতোই  ইউএপিএ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

কারণ এসটিএফ জানতে পেরে বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সঙ্গে এই হাবিবুল্লার যোগ রয়েছে। সূত্রের খবর,আল কায়দা নেটওয়ার্কের সঙ্গেও অভিযুক্ত যোগাযোগ গড়ার চেষ্টা চালায়। আরও জানা গেছে, সোশাল মিডিয়ায় জাল বিছিয়ে যুবক-যুবতীদের নেটওয়ার্কে যুক্ত করার ফিকির খোঁজে হাবিবুল্লা ও তার শাগরেদরা। কিভাবে ব্লুপ্রিন্ট সাজায় তাঁরা ? প্রথমে চলত স্ক্যানিং। দেখা হত, কারা  মৌলবাদের প্রতি আগ্রহী, তার পর অডিও মেসেজ পাঠিয়ে চলত মগজ ধোলাই। ব্যবহার হত বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ‘বিপ’।সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে এই জঙ্গি আসলে সমাজে ধর্মান্ধতা ছড়াতে চাইছিল বলে তদন্তকারীদের একাংশের অভিমত।তাই তাঁকে জেরা করা আন্তর্জাতিক জঙ্গি চক্রের জাল নির্মূল করার তত্পরতা যে জারি আছে তা বলাই যায়।

Related Articles