ঝালমুড়ি আমি খেয়েছি, কিন্তু ঝাল লেগেছে তৃণমূলের: প্রধানমন্ত্রী মোদি
৫ দশক পর শান্তিতে ভোট হচ্ছে বাংলায়! হিংসা কমায় নির্বাচন কমিশনকে দরাজ সার্টিফিকেট প্রধানমন্ত্রীর
মাধব দেবনাথ, নদিয়া: কৃষ্ণনগরের হাই-ভোল্টেজ সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন চলাকালীনই মোদি দাবি করেন, এবার বাংলায় ঘাসফুল শিবিরের ভরাডুবি নিশ্চিত। তাঁর মতে, শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের কাজে সাধারণ মানুষ এতটাই অতিষ্ট যে, বহু জেলায় এবার তৃণমূলের ‘খাতা খোলা’ দায় হয়ে পড়বে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে ফের একবার আলোচিত ‘ঝালমুড়ি’ প্রসঙ্গ টেনে আনেন। বিরোধী শিবিরকে বিঁধে তিনি বলেন, “৪ মে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিজয়োৎসব হবে। সেদিন মিষ্টির সঙ্গে ঝালমুড়িও খাওয়ানো হবে। আমি শুনেছি ঝালমুড়ি খেয়েছি আমি, কিন্তু ঝাল লেগেছে তৃণমূলের। আসলে ওই ঝালমুড়ি কিছু মানুষকে জোর ধাক্কা দিয়েছে।”
পশ্চিমবঙ্গের ভোটদাতাদের সাহস জোগাতে মোদি বলেন, এরাজ্যের মানুষ এবার ভয়মুক্ত হয়ে ভোট দিচ্ছেন। সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা তিনি দেখেছেন, তা অভাবনীয়। তাঁর কথায়, “ভয় থেকে মুক্তি পেতেই পশ্চিমবঙ্গবাসী এবার বুথমুখো হচ্ছেন। সবাই বলছেন, এবার পাল্টানো দরকার।” সরকারি কর্মচারীদেরও এদিন অভিনন্দন জানান তিনি। তাঁর দাবি, কর্মচারীরা অত্যন্ত দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করছেন এবং এবারের ভোটদানের হার আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে।
এদিন সবথেকে উল্লেখযোগ্য ছিল নির্বাচন কমিশনের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর দরাজ সার্টিফিকেট। গত ৫০ বছরের নির্বাচনী ইতিহাসের তুলনা টেনে মোদী বলেন, “আমি যখন থেকে রাজনীতিতে এসেছি, বলতে পারি গত ৫০ বছরে প্রথম এমন নির্বাচন হচ্ছে যেখানে হিংসার ঘটনা সবথেকে কম। আগে তো মানুষকে ফাঁশিতে ঝুলিয়ে বলা হতো আত্মহত্যা করেছে। এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য আমি নির্বাচন কমিশনকে অভিনন্দন জানাই।”





