
The Truth of Bengal: সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত প্রধানমন্ত্রীর পাশে রয়েছেন,সেই মোদি গ্যারান্টির কথা বলছেন।আর যিনি হাওয়াই চটি পরে বাংলার ১০কোটি মানুষকে গ্যারান্টি দিচ্ছেন,আপনারা কাকে বিশ্বাস করবেন, দিদি না মোদি ? ব্রিগেডে বঞ্চিতদের সভার মাঝে এই প্রশ্ন তোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লির বহিরাগতদের বিরুদ্ধে বাংলার ভূমিপুত্রদের বেছে নেওয়ার জন্য লোকসভার আগে স্বরগরম করেন তিনি। যেভাবে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিত্ গঙ্গোপাধ্যায়কে বিজেপির অভিযুক্ত নেতারা উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করেন,তা নিয়েও কটাক্ষ করেন অভিষেক। ব্রিগেডের সভায় দিল্লির সরকারের বিসর্জন দেওয়ার জন্য বাংলার মানুষকে ডাক দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার কাণায় কাণায় ভর্তি হয়ে ওঠা জনজাগরণের এই সভায় প্রথমেই তিনি গণদেবতাকে প্রথমেই তিনি সস্ট্রাঙ্গে প্রণাম করেন,জনতার মাঝে দাঁড়িয়ে সরাসরি বিজেপির বহিরাগত সংস্কৃতিকে তুলোধনা করেন তিনি।অভিষেকের তোপ,নরেন্দ্র মোদি বিজেপির সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত লোকটিকে পাশে নিয়ে মোদির গ্যারান্টি দিচ্ছেন। আর হাওয়াই চটি পরে টালির ঘরে থেকে বাংলার ১০কোটি মানুষকে গ্যারান্টি দিচ্ছেন।তাই জনতার উদ্দেশ্যে অভিষেকের প্রশ্ন আপনারা কাকে বিশ্বাস করেন।মোদীর গ্যারেন্টি, জিরো ওয়ারেন্টি,আর দিদির হচ্ছে কথা দিয়ে কথা রাখার গ্যারান্টি।কিভাবে দিল্লির নেতারা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে তার খতিয়ানও তুলে ধরেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
- প্রধানমন্ত্রীর দাবি,৪২ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে কেন্দ্র
- ৩বছরে নাকি এই টাকা বাংলাকে দেওয়া হয়েছে
- দেড় বছর হয়ে গেল কেন্দ্র ১টাকাও দেয়নি
- প্রমাণ করতে পারলে রাজনীতির অঙিনায় পা রাখব না
- চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে এত বড় কথা বলে গেলাম।”
অভিষেক বিজেপির দুর্নীতির মুখোশ খুলতে বাংলায় বঞ্চিতদের বন্ধু তৃণমূল প্রার্থীদের জয়ী করার আবেদন জানান।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সন্দেশখালি নিয়ে মিথ্যে প্রচার করছেন বলেও সুর চড়ান তৃণমূলের সেনাপতি। বিরোধী শিবিরের অপপ্রচার আর তৃণমূল বিরোধী অবস্থানকে কার্যতঃ বিঁধলেন তিনি। বলেন, কেউ বলছে, একে একে ছেড়ে চলে যাচ্ছে, ক’দিন পর তৃণমূল দলটাই থাকবে না। আমরা ঠিক করেছিলাম, এদের কাছে টাকা-পয়সা আছে, ইলেকশন কমিশন আছে, ইডি-সিবিআই আছে। তৃণমূলের কাছে মানুষ আছে। একটা প্রতিযোগিতা হোক। আগামীর রায় বাংলা-বিরোধীরা বিদায়।অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম না করে সারদা-নারদে অভিযুক্ত নেতার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নিয়েও কটাক্ষ হানেন তিনি। ১২ দিনের মধ্যে ব্রিগেড করে যেভাবে তৃণমূলের সভায় জনপ্লাবন দেখা যায়,তাতে আগামীর চ্যালেঞ্জ এই ব্রিগেড থেকেই নেওয়ার আহ্বানও জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।






