
The Truth Of Bengal: তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিরোধী ঐক্যের ছবিটা মোটের ওপর স্পষ্ট হল।নীতিশ কুমার,উদ্ধব ঠাকরেরা না আসতে পারলেও অনুষ্ঠানে যোগ দেন তৃণমূলের ডেরেক ওব্রায়েন,সিপিআইয়ের ডি রাজা.জেএমএম সাংসদ মহুয়া মাঝি। ১৮থেকে ২০ডিসেম্বরের মধ্যে দিল্লিতে হতে পারে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক।সেই বৈঠকে যোগ দেবেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতারাও।চব্বিশের আগে বিজেপির বিরুদ্ধে এককাট্টা হওয়ার প্রক্রিয়া প্রয়াস লক্ষ্যণীয়।
লোকসভা ভোটে বিরোধীরা একসঙ্গে না লড়লে সবদলকেই ফল ভুগতে হবে।নির্বাচনী রাজনীতির এই সহজপাঠ সবাই কমবেশি নিয়েছে। কারণ বিরোধী শিবির বুঝে গেছে,বড় দল-ছোট দলের ইগোর লড়াইয়ের সুবিধা নিচ্ছে বিজেপি।তাই জাতীয় স্তরের নির্বাচনে বিজেপিকে হারাতে একজোট হয়ে লড়াই ছাড়া কোনও উপায় নেই।একথা বুঝেই জোট সমীকরণের ফর্মূলা ঠিক করতে তৈরি হচ্ছে বিরোধী শিবির। গড়পড়তা ভোটের হার বলছে,বিজেপি ৪১ শতাংশের কাছ ভোট পেয়েছে,কংগ্রেস পেয়েছে ৩৯শতাংশ ভোট।ইন্ডিয়া জোট পেয়েছে ১২শতাংশ ভোট। এই অবস্থায় একের বিরুদ্ধে এক সূত্র কার্যকর হলে বিজেপি ব্যাকফুটে চলে যাবে বলে বিরোধীরা মনে করছে।তাই ১৮ বা ২০ ডিসেম্বর ইন্ডিয়া জোটের জরুরি বৈঠক।তার আগে তেলেঙ্গানায় বিরোধী শিবিরের ঐক্যবদ্ধ চেহারা সামনে এল। তেলেঙ্গানায় ১১৯টি আসনের ৬৫টি কংগ্রেসের ঝুলিতে। সেখানে কংগ্রেসের ভোট যেমন বেড়েছে।তেলেঙ্গানায় বিজেপি হালে পানি পায়নি।তাই শুক্রবার রেবন্ত রেড্ডির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিরোধীদের একমঞ্চে আসার ছবিটা ধরা পড়ল। ডিএমকের মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন তামিলনাড়ুর বন্যা পরিস্থিতির জন্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি।যেতে পারেননি হেমন্ত সোরেন, নীতীশ কুমাররাও। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেও আসেননি।
যদিও এঁদের সবাইকেই নিমন্ত্রণ জানিয়েছিল কংগ্রেস।তবে কংগ্রেসের ডাকে সাড়া দিয়ে বিজেপি বিরোধী মঞ্চে হাজির ছিল তৃণমূল কংগ্রেস।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রেরিত প্রতিনিধি ডেরেক ও ব্রায়েন শুক্রবারের অনুষ্ঠানে যোগসূত্র গড়েন। এর মাধ্যমে কার্যতঃ কংগ্রেস-তৃণমূলের একসঙ্গে চলার বার্তা স্পষ্ট হল বলে অনেকের অভিমত।কারণ ডিসেম্বরের এই বিজেপি বিরোধী জোটের বৈঠকে হাজির থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও।তিনি দিল্লির বৈঠকে যোগ দিতে পারেন।আরও তাত্পর্য বাহী ইঙ্গিত হল, সিপিআইয়ের ডি রাজা,এবং জেএমএম-এর সাংসদ মহুয়া মাঝি বৈঠকে যোগ দিয়ে অবিজেপি জোট সমীকরণের সূত্র চূড়ান্ত করার আভাস দেন। ডিরাজা আশা প্রকাশ করেন,বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে আগামীদিনে সবাই মিলে চলার পথ মিলবেই।তাই দিল্লিতে বদলের ডাক দিয়ে সময় থাকতে বিরোধীরা এককা্ট্টা হলে বিজেপির লড়াই কঠিন হতে পারে বলে পর্যবেক্ষকদের অভিমত।
Free Access






