অ-রবীন্দ্রিক ফলকে শান্তিনিকেতনের মর্যাদা ক্ষুন্ন, উপাসনা গৃহের শান্তি বিঘ্নিত করছে
santinikatan

The Trtuh of Bengal: ফলক বিতর্কের চক্রব্যুহ থেকে কিছুতেই বেরুতে পারছে না বিশ্বভারতী।উপাচার্যের স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে আইনি লড়াইতে শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট। অবস্থান-গণআন্দোলনে বাড়তি মাত্রা যোগ করল থানায় অভিযোগ দায়ের।কারণ খোদ উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী গৈরকীকরণের সুরে সুর মেলাতে গিয়ে বিশ্বভারতীর প্রাণপুরুষকেই মর্যাদা দিচ্ছেন না। আশ্রমিক থেকে পড়ুয়া,সবার অমর্যদা করার পর রবীন্দ্রনাথকেও তিনি সম্মান দিচ্ছেন না। অভিযোগ, শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সম্পত্তি হওয়া সত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনুমতি ছাড়াই উপাসনাগৃহ, ছাতিমতলা, শান্তিনিকেতন গৃহ-সহ মূল আশ্রম এলাকায় হঠাৎ করে অ-রাবীন্দ্রিক ফলক লাগানো হচ্ছে, যা শান্তিনিকেতনের মর্যাদা ক্ষুন্ন করছে এবং উপাসনা গৃহের শান্তি বিঘ্নিত করছে। শনিবার শান্তিনিকেতন থানার দ্বারস্থ হয়েছে শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট।
.বিশ্বভারতীর উপাসনা গৃহ,মূল আশ্রম প্রাঙ্গন
.শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সম্পত্তি
.দেখাশোনার দায়িত্ব বিশ্বভারতী,রক্ষণাবেক্ষন
.করে পুরাতত্ব বিভাগ
.অভিযোগ, ট্রাস্টের সঙ্গে কোনও পরামর্শ না করেই
.লক বসিয়েছেন উপাচার্য
ট্রাস্টের সম্পাদক অনিল কোনার বলেন,” অতীতে কখনও এই ধরনের ঘটনা ঘটেনি। সম্পত্তির উপরে ফলক দেওয়ার কোন ক্ষমতা নেই বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের। আইন বিরোধী কাজ করেছেন। বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে শান্তিনিকেতন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন ট্রাস্টের সম্পাদক। দ্রুত ওই ফলক অপসারণ করতে হবে, এই দাবিতে অভিযোগ দায়ের হল৷তাতে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের ওপর কয়েকগুণ চাপ বাড়ল।এরমধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে নাগরিক সমাজ সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে ফলকে রবীন্দ্রনাথকে জায়গা দেওয়ার দাবিতে সরব ।সেই দাবিকে বিশ্বভারতী মর্যাদা দেয় কিনা সেটাই সবমহলের কাছে লক্ষ্যণীয় হয়ে উঠেছে।
Free Access






