
The Truth of Bengal: ক্লান্তি ঘিরে ধরছে? আজকালকার দিনে খুব স্বাভাবিক এই ঘটনা। সকালে কলকাতার যান্ত্রিক ভিড় ঠেলে অফিস। সেখানে গিয়েও মারাত্মক কাজের চাপ, আবার তারপর সারাদিনের ক্লান্তি নিয়ে সেই ভিড় ঠেলে বাড়িতে ফেরা। সারা সপ্তাহ ধরে এই এক ঘেয়ে জীবনের ফাঁকে একটু পরিবর্তন তো রাখাই উচিত। সেটা পরিবারের সাথে সময় কাটানো বা বন্ধুদের সাথে। এমনই একটি জায়গা হল ডেনমার্ক ট্র্যাভার্ন। একটু সারাদিন কাঁটিয়ে আনন্দ করার জন্য যাওয়াই যেতে পারে এখানে। ২৩৫ বছরের পুরনো এই সরাইখানা। এর নাম নিশ্চয়ই আপানারা অনেকেই শুনেছেন। প্রচুর প্রচুর ইতিহাস মাখা শ্রীরামপুরের প্রসঙ্গে আজকে যাওয়াই যাবে না।
কথা হবে ডেনমার্ক ট্যাভার্ন নিয়ে। আদতে আগে এই প্রাচীন সরাইখানা দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর বন্ধ ছিল। রাজ্য সরকারের পুরোনো বাড়ির তালিকাতে পড়েছিল, একটা পুলিশ চৌকি নিয়ে। ২০১৫ সালে রাজ্য সরকার এই ভাঙা প্রাচীন স্থাপত্যের উপর নতুন ভাবে কাজ শুরু করে। এর মূল কাঠামো অক্ষত রেখে, এটাকে একটা অসাধারণ রূপ দেয়। ডেনমার্ক মিউজিয়াম ও ড্যানিশ অ্যাসোসিয়েশন এর সহযোগিতায় নতুন ভাবে সেজে ওঠে এই সরাইখানা। চা, কফিঘরের সাথে এখানে পাবেন ইন্ডিয়ান, চাইনিজ, ইটালিয়ান, ডেনিশ, পাঞ্জাবি এমনকি বাঙালি বিভিন্ন খাবার।
ব্রেকফাস্ট থেকে ডিনার সব কিছুর ব্যবস্থা এখানে করা আছে। যদিও খরচ কিন্তু খুব একটা বেশি কিছু নয়। এছাড়াও খাবারের মান অত্যন্ত ভালো। সকাল ১১ টা থেকে সন্ধ্যা ৮.৩০ অবধি এই সরাইখানা খোলা থাকে। মোট ছয়টি থাকার ঘর পাবেন। আবার গঙ্গার পারে এই সুন্দর স্থাপত্য। গঙ্গা ঘাটের নাম নিশান ঘাট। এই বিদেশিনীর ডানদিকে এসডিও বাংলো বাদিকে এসডিপিও বাংলো, পিছন দিকে কোর্ট চত্বর। আর সেখানে আছে ডেনিশ সরকারের গভর্নরের বাড়ি, পুলিশ সুপার এর বাড়ি, পুরোনো ক্যান্টিন, আর আছে একটা বেশ বড়ো জলাশয়। যাই হোক একটা কথা বলাই যায় যে একটা দিন এখানে কাটালে আপনার বেশ ভালই কাটবে।
Free Access






