জরুরি অবস্থার জন্য ইন্দিরা গান্ধী অনুতপ্ত হয়েছিলেন, স্মৃতিকথায় দাবি সোনিয়ার
সোনিয়ার দাবি, জরুরি অবস্থার সময় সমস্ত বাড়াবাড়ির দায় শুধুমাত্র সঞ্জয় গান্ধীর উপর চাপানো ঠিক নয়।
Truth of Bengal: ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। নিজের আসন্ন আত্মজীবনী প্রকাশের আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেছেন, জরুরি অবস্থার সময় মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব হয়েছিল। তবে তাঁর দাবি, সেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল সাংবিধানিক পদ্ধতি মেনেই। পরবর্তীকালে ইন্দিরা গান্ধী নিজের ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত হয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সোনিয়ার দাবি, জরুরি অবস্থার সময় সমস্ত বাড়াবাড়ির দায় শুধুমাত্র সঞ্জয় গান্ধীর উপর চাপানো ঠিক নয়। সেই সময় পরিস্থিতি সামলাতে ইন্দিরা গান্ধীর উপর বহু প্রবীণ নেতা ও আমলার চাপ ছিল। সরকারি দফতরে অশান্তি, হিংসাত্মক বিক্ষোভ এবং প্রশাসনিক পরিস্থিতিও ক্রমশ জটিল হয়ে উঠেছিল।
তিনি আরও জানান, রাজীব গান্ধীও সাধারণ মানুষের অভিযোগ ইন্দিরার কাছে পৌঁছে দিতেন। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি বুঝে ইন্দিরা ১৯৭৭ সালের মার্চে নির্বাচন ঘোষণা করেন, প্রত্যাহার করা হয় জরুরি অবস্থা। পরে প্রকাশ্যেই এই সময়ের বাড়াবাড়ির জন্য অনুতাপ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
অন্যদিকে, গত ১২ বছরে বিজেপি সরকারের আমলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন সোনিয়া। পালটা কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গ তুলে কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, সেই সময় গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করে বহু নেতা ও সাংবাদিককে জেলে পাঠানো হয়েছিল।






