অভিষেককে হেনস্তার অভিযোগ! প্রতিবাদের হুঁশিয়ারি মমতার
৭ নভেম্বর অভিষেকের জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার মধ্যরাত থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে অনুগামীদের ভিড় জমে।
Truth of Bengal: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ও হামলার অভিযোগ ঘিরে সরব হলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দুপুরে কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেও নিশানা করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই অভিষেককে পরিকল্পিতভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে।
৭ নভেম্বর অভিষেকের জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার মধ্যরাত থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে অনুগামীদের ভিড় জমে। সেই সময় কালীঠাকুর আনতে যাওয়া বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয় বলে অভিযোগ। চলে পাল্টাপাল্টি স্লোগান, ছেঁড়া হয় অভিষেকের ব্যানার ও কাটআউট। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ।
পরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে রাস্তায় বসে পড়েন অভিষেক। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। পুলিশের সামনেই মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। শনিবার সকাল ৬টা নাগাদ বাড়ির ভিতরে ফিরে যান তিনি।
এরপর দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে মমতা অভিযোগ করেন, কালীপুজোর আগে পরিকল্পিতভাবে এলাকায় অশান্তি তৈরি করা হচ্ছে। পুরনো ক্লাবগুলির পুজোয় বাধা দেওয়া হলেও নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে বলে দাবি তাঁর। অভিষেকের বাড়ির প্রবেশপথ আটকে পুজোর আয়োজনের অভিযোগও তোলেন তিনি। পাশাপাশি আইন মেনে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললেও হেনস্তা চলতে থাকলে প্রতিবাদের হুঁশিয়ারি দেন তৃণমূলনেত্রী।
অন্যদিকে, গোটা ঘটনায় মমতা ও অভিষেককে পাল্টা আক্রমণ করেছেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, ইন্ডি জোটের অস্তিত্বই নেই, তাই সেই জোটে যোগ দেওয়ার প্রতিহিংসায় হামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন। রাতের বেলা রাস্তায় জন্মদিন পালন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।






