উৎসবের মরশুমেই মধ্যবিত্তের পকেটে টান! ঘি-মাখনের দাম এক ধাক্কায় বাড়াল আমুল
বুধবার থেকেই কার্যকর হয়েছে নতুন দাম
Truth of Bengal: উৎসবের মরশুমে বাজার করতে গিয়ে ফের মাথায় হাত মধ্যবিত্তের! এবার দুধের পর ঘি ও মাখনের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল আমুল। এক ধাক্কায় ১ কেজি ঘিয়ের দাম বাড়ল ৫০ টাকা। অন্যদিকে, ৫০০ গ্রাম মাখনের প্যাকেটের দাম বেড়েছে ১৫ টাকা। বুধবার থেকেই কার্যকর হয়েছে নতুন দাম। ফলে রান্নাঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় এই দুই পণ্য কিনতে এবার আরও বেশি টাকা খরচ করতে হবে সাধারণ মানুষকে। আমুলের তরফে জানানো হয়েছে, ১ কেজি ওজনের এক কার্টন ঘিয়ের দাম ৬৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৮০ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ একবারে ৫০ টাকা দাম বেড়েছে। শুধু তাই নয়, ৫০০ গ্রাম মাখনের প্যাকেটের দাম ৩১০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩২৫ টাকা। ১০০ গ্রাম মাখনের প্যাকেটের ক্ষেত্রেও ৩ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে। আগে যার দাম ছিল ৬৩ টাকা, এখন তা কিনতে খরচ হবে ৬৬ টাকা।
সাধারণ ঘিয়ের পাশাপাশি আমুল কাউ ঘিয়ের দামেও বড়সড় পরিবর্তন এসেছে। সংস্থার ঘোষণা অনুযায়ী, ৫০০ মিলিলিটারের পাউচের দাম ৩৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৭০ টাকা। অর্থাৎ এক ধাক্কায় ২০ টাকা বেশি দিতে হবে ক্রেতাদের। অন্যদিকে, ১ লিটারের পাউচের দাম ৬৯৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৩৫ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ এই প্যাকেও দাম বেড়েছে ৪০ টাকা।হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আমুল জানিয়েছে, দুধ উৎপাদনের খরচ ক্রমশ বাড়ছে। পাশাপাশি বাজারে চাহিদাও বেড়েছে। কয়েকটি এলাকায় আমুলের গরুর দুধ থেকে তৈরি ঘিয়ের জোগানেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে উৎপাদন ও সরবরাহের খরচ সামলাতেই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংস্থার দাবি।
আগেও বেড়েছিল দুধের দাম
প্রসঙ্গত, এর আগে বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের পরই দুধের দাম বাড়িয়েছিল আমুল। লিটারপিছু ২ টাকা করে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছিল। সেই সময় সংস্থার তরফে জানানো হয়েছিল, গত এক বছরে গবাদি পশুর খাবার, দুধের প্যাকেজিং এবং জ্বালানির খরচ বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। পাশাপাশি, দুধ সংগ্রহের জন্য কৃষকদের দেওয়া দামও ২০২৫ সালের মে মাস থেকে ৩.৭ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল।


