বেপরোয়া গতিতে লাগাম! রানাঘাট ও ফুলিয়ায় দুর্ঘটনার জেরে রাজপথে কড়া ডিএসপি
বৃহস্পতিবার থেকে জাতীয় সড়কে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণে কড়া পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছেন ট্রাফিক আধিকারিকরা
মাধব দেবনাথ, নদিয়া: নদিয়ায় মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পর এবার নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। রানাঘাট ও ফুলিয়াতে পৃথক দুটি দুর্ঘটনায় ৬ জনের মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতেই ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে অভিযানে নামল রানাঘাট জেলা পুলিশ। বৃহস্পতিবার থেকে জাতীয় সড়কে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণে কড়া পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছেন ট্রাফিক আধিকারিকরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, পথ দুর্ঘটনা রুখতে রানাঘাট জেলা পুলিশের ট্রাফিক ডিএসপি সঞ্জয় কুমারের নেতৃত্বে এক বিশেষ অভিযান চালানো হয়। স্পিড গান বা গতি মেকার যন্ত্রের সাহায্যে প্রতিটি যানবাহনের গতিবেগ পরীক্ষা করছেন পুলিশ কর্মীরা। সরকারি নির্ধারিত গতির সীমা লঙ্ঘন করলেই চালকদের গুনতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের জরিমানা। জানা গিয়েছে, অভিযানের শুরুতেই আইন ভাঙায় পাঁচটি গাড়িকে জরিমানা করা হয়েছে।
এদিনের অভিযানে উপস্থিত থেকে ট্রাফিক ডিএসপি সঞ্জয় কুমার জানান, মূলত বেপরোয়া গতিতে লাগাম টেনে দুর্ঘটনা কমাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাতীয় সড়কের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি চালকদের সচেতন করার কাজও চলছে। যারা গতির নির্দিষ্ট আইন মানছেন না, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
নদিয়ার এই ব্যস্ততম জাতীয় সড়কে যেভাবে একের পর এক প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে, তাতে পুলিশের এই কড়া অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। এখন দেখার, ট্রাফিক পুলিশের এই কড়াকড়ি এবং জরিমানার ফলে আগামী দিনে বেপরোয়া গাড়ির গতি কতটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় এবং দুর্ঘটনার গ্রাফ নিম্নমুখী হয় কি না।






