ডবল সিলিন্ডারে বাড়ল অপেক্ষা, ধাক্কা উজ্জ্বলা গ্রাহকদেরও, এলপিজি গ্যাস বুকিংয়ের নয়া নিয়ম জানুন
Truth of Bengal: ডবল এলপিজি সিলিন্ডার বুক করার ক্ষেত্রে ব্যবধান সংক্রান্ত নিয়মে আবার পরিবর্তন আনা হয়েছে। ডবল সিলিন্ডার গ্রাহকদের জন্য বুকিংয়ের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে, যার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার গ্রাহকদের ওপর। ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে শহর, গ্রাম ও দুর্গম এলাকায় একই নিয়ম কার্যকর থাকছে। তবে ৫ ও ১০ কেজির সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে শহর ও গ্রামের নিয়ম আলাদা।
সূত্র অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় থাকা গ্রাহকেরা এখন একটি সিলিন্ডার বুক করার পর পরবর্তীটি বুক করতে পারবেন ৪৫ দিন পর। আগে এই সময়সীমা ছিল ২৫ দিন। অর্থাৎ, আগের তুলনায় অপেক্ষার সময় অনেকটাই বেড়েছে। তবে ৫ কেজির সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে উজ্জ্বলা গ্রাহকদের জন্য পুরনো নিয়মই বহাল রয়েছে-একটি বুক করার ১৬ দিন পর পরবর্তী বুকিং করা যাবে।
অন্যদিকে, উজ্জ্বলা যোজনার বাইরে থাকা ডবল সিলিন্ডার গ্রাহকদের জন্য নতুন সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে ৩৫ দিন। অর্থাৎ, একটি বুক করার অন্তত ৩৫ দিন পর দ্বিতীয়টি বুক করা যাবে। সিঙ্গল সিলিন্ডার গ্রাহকদের ক্ষেত্রে এই ব্যবধান ২৫ দিনই রাখা হয়েছে। ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারের জন্য এই নিয়ম শহর ও গ্রাম-উভয় ক্ষেত্রেই এক।
৫ কেজির সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে শহরে একটি বুক করার ৯ দিন পর দ্বিতীয়টি বুক করা যাবে, কিন্তু গ্রাম ও দুর্গম এলাকায় এই ব্যবধান ১৬ দিন। একইভাবে, ১০ কেজির সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে শহরে ১৮ দিন এবং গ্রাম বা দুর্গম এলাকায় ৩২ দিন পর পরবর্তী বুকিং করা যাবে।
এদিকে, চলতি মাস থেকেই রান্নার গ্যাসের দাম বেড়েছে। কলকাতায় ৬০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ৯৩৯ টাকা। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এলপিজি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের খবর মিলছে। অভিযোগ উঠেছে, অনেক ক্ষেত্রে সিলিন্ডার বুক করাই যাচ্ছে না, আর বুক করা গেলেও সরবরাহ পেতে দেরি হচ্ছে। বিশেষ করে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার নিয়ে অভিযোগ বেশি।
সোমবার পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে লোকসভায় বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি দেশবাসীকে জ্বালানি ও সারের সরবরাহ নিয়ে আশ্বস্ত করেন। জানান, দেশে যাতে জ্বালানির অভাব না হয়, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে এবং এলপিজির উৎপাদনও বাড়ানো হচ্ছে। রবিবার একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দেশের তেল ও গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন তিনি। কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বৈঠকে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবং সরবরাহ বজায় রাখার বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।






