নিভে গেল দূরদর্শনের সেই পরিচিত কণ্ঠস্বর, কিংবদন্তি অ্যাঙ্কর সরলা মাহেশ্বরীর জীবনাবসান
দূরদর্শন পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরলা মাহেশ্বরীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়েছে।
Truth of Bengal: ভারতীয় টেলিভিশনের স্বর্ণযুগের অবসান ঘটিয়ে প্রয়াত হলেন দূরদর্শনের প্রথিতযশা সংবাদ পাঠিকা সরলা মাহেশ্বরী। বৃহস্পতিবার ৭১ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। আটের ও নব্বইয়ের দশকে দূরদর্শনের পর্দায় তাঁর উপস্থিতি ছিল আভিজাত্য এবং নির্ভরযোগ্যতার প্রতীক। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ সংবাদ জগৎ ও তাঁর অগণিত অনুরাগী।
दूरदर्शन परिवार की ओर से श्रीमती सरला माहेश्वरी को भावपूर्ण श्रद्धांजलि। वह दूरदर्शन की सम्मानित और प्रतिष्ठित समाचार वाचिका थीं, जिन्होंने अपनी सौम्य आवाज़, सटीक उच्चारण और गरिमापूर्ण प्रस्तुति से भारतीय समाचार जगत में विशेष स्थान बनाया। उनकी सादगी, संयम और व्यक्तित्व ने दर्शकों… pic.twitter.com/Hx8glZI7rk
— Doordarshan National दूरदर्शन नेशनल (@DDNational) February 12, 2026
দূরদর্শন পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরলা মাহেশ্বরীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়েছে। এক বার্তায় জানানো হয়েছে যে, তাঁর স্নিগ্ধ কণ্ঠস্বর, নিখুঁত উচ্চারণ এবং মার্জিত উপস্থাপনা ভারতীয় সংবাদ জগতকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। সংবাদ উপস্থাপনায় তাঁর যে সংযম ও ব্যক্তিত্ব ছিল, তা দর্শকদের মনে এক গভীর আস্থার জায়গা তৈরি করেছিল। ১৯৫৬ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ তিন দশকের কর্মজীবনে তিনি সাদাকালো পর্দা থেকে রঙিন ছবির যুগে উত্তরণের সাক্ষী ছিলেন। সরলা মাহেশ্বরীর দীর্ঘদিনের সহকর্মী তথা বিশিষ্ট সংবাদ সঞ্চালক শাম্মী নারাং তাঁর প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি স্মৃতিচারণা করে লিখেছেন যে, সরলা মাহেশ্বরী ছিলেন সৌজন্য এবং আভিজাত্যের মূর্ত প্রতীক। তিনি কেবল দেখতেই সুন্দর ছিলেন না, বরং তাঁর হৃদয়ের বিশালতা এবং ভাষার ওপর দখল ছিল অসাধারণ। শাম্মী নারাং আরও যোগ করেন যে, সরলাজি যে কোনো পরিবেশে নিজের উপস্থিতিতে এক অনন্য গাম্ভীর্য বজায় রাখতেন এবং সহকর্মীদের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা ছিল অপরিসীম।
অল ইন্ডিয়া মহিলা কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও এই প্রয়াণে শোকবার্তা দেওয়া হয়েছে। সেখানে সরলা মাহেশ্বরীর মৃত্যু টেলিভিশন সাংবাদিকতার একটি সোনালী অধ্যায়ের সমাপ্তি বলে বর্ণনা করা হয়েছে। তাঁদের মতে, সংবাদ পরিবেশনায় তাঁর সততা এবং শালীনতা আগামী প্রজন্মের সাংবাদিকদের কাছে সবসময় অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী থাকাকালীন পিএইচডি চলাকালে দূরদর্শনে যোগ দেওয়া এই মহীয়সী নারী তাঁর কাজের মাধ্যমে ভারতীয় গণমাধ্যমের ইতিহাসে নিজের নাম অক্ষয় করে গেলেন।


