Sleeping with Face Covered: শীতকালে মুখ ঢেকে ঘুমাচ্ছেন? অজান্তেই বিপদ ডেকে আনছেন না তো?
নিয়মিত মুখ ঢেকে ঘুমানোর অভ্যাস শরীরে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি করে, যা ধীরে ধীরে আমরা টের পাই।
Truth of Bengal: শীতকালে ঠান্ডা হাওয়া এড়াতে অনেকে কম্বলের ভেতর মাথা-সহ পুরো শরীর ঢেকে ঘুমান, যা আপাতদৃষ্টিতে আরামদায়ক মনে হলেও চিকিৎসকদের মতে এটি স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। নিয়মিত মুখ ঢেকে ঘুমানোর অভ্যাস শরীরে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি করে, যা ধীরে ধীরে আমরা টের পাই।
মুখ ঢেকে ঘুমানোর সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো শ্বাস নেওয়ার অসুবিধা। কম্বলের ভেতরে নিঃশ্বাসের বাতাস আটকে যায়, ফলে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে গিয়ে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যায়। এর কারণে রাতে ঠিকমতো শ্বাস নেওয়া যায় না।
-
দীর্ঘদিন এমনটা চলতে থাকলে সকালে ঘুম ভাঙার পর মাথা ভার লাগা, ঝিমুনি বা অস্বস্তি অনুভব হতে পারে।
-
পর্যাপ্ত অক্সিজেন না পাওয়ায় ঘুমের মান খারাপ হয় এবং ঘুম গভীর হয় না। ফলে সারারাত ঘুমিয়েও শরীর ক্লান্ত লাগে।
-
অনেকের ক্ষেত্রে সকালে উঠেই মাথাব্যথা বা মনোযোগের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
মুখ ঢেকে ঘুমালে ত্বকের সমস্যাও বাড়তে পারে। কম্বলের ভেতরে ঘাম ও আর্দ্রতা জমে যাওয়ায়:
-
মুখের ত্বকে ব্রণ, ফুসকুড়ি, চুলকানি বা র্যাশের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও বাড়ে।
-
কম্বল বা চাদরে লেগে থাকা ধুলো, জীবাণু ও ছত্রাক সরাসরি নাক ও ফুসফুসে প্রবেশ করে। এর ফলে সর্দি, কাশি, নাক বন্ধ হওয়া বা শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
কম্বলের ভেতরের গরম বাতাস শুষ্ক হয়। মুখ ঢেকে ঘুমানোর ফলে:
-
নাকের ভেতর খুসখুস ভাব, গলা শুকিয়ে যাওয়া বা ঠোঁট ফেটে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়।
শীতকালে সুস্থ ও স্বস্তিদায়ক ঘুম উপভোগ করার জন্য কিছু সহজ নিয়ম মেনে চলা উচিত:
-
মুখ খোলা রাখুন: ঘুমানোর সময় মুখ খোলা রাখুন, কেবল শরীর ভালোভাবে ঢেকে রাখুন।
-
পরিষ্কার কম্বল: পরিষ্কার ও হালকা কম্বল ব্যবহার করুন।
-
বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা: ঘরে সামান্য বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন।
-
গরম পোশাক: খুব ঠান্ডা লাগলে মোজা, সোয়েটার বা হালকা গরম পোশাক পরে ঘুমান।



