দূষণের কবল থেকে কি মুক্ত হবে দিল্লি? রবিবার ভোরে মিলেছে সামান্য স্বস্তি
কিছু এলাকায় একিউআই এখনো উচ্চমাত্রায় রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, আরকে পুরমে একিউআই ৩০৮ এবং শাদিপুরে ৩৩৬।
Truth Of Bengal: দূষণের তীব্রতায় দীর্ঘদিন পীড়িত দিল্লি কি এবার স্বস্তি পেতে চলেছে? যদিও এখনই চূড়ান্ত উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়, রবিবার ভোরের তথ্য কিছু আশা জাগাচ্ছে। এদিন সকাল ৬টায় রাজধানীর একিউআই ছিল ২৭০, যা ‘খারাপ’ পর্যায়ে পড়ে। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় এটি কিছুটা কম, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন শনিবার সন্ধ্যা থেকে ভূমির কাছে বাতাসের গতি বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি সামান্য উন্নত হয়েছে।
তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। কিছু এলাকায় একিউআই এখনো উচ্চমাত্রায় রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, আরকে পুরমে একিউআই ৩০৮ এবং শাদিপুরে ৩৩৬। দীপাবলির পর থেকেই দিল্লির বাতাস বিশেষভাবে বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। দূষণ কমানোর জন্য দিল্লি সরকার ‘ক্লাউড সিডিং’ চালু করেছিল এবং সম্প্রতি তার ট্রায়ালও সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ায় কার্যকারিতা শূন্য থেকেছে। ইতিমধ্যেই তিনটি ব্যর্থ ট্রায়াল বাবদ প্রায় ১.০৭ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।
প্রাক্তন আইপিএস অফিসার ও বিজেপি নেত্রী কিরণ বেদি কয়েকদিন আগে সতর্ক করেছেন, দিল্লির বর্তমান দূষণ পরিস্থিতি কোভিড পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনীয়। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে সরাসরি হস্তক্ষেপের আবেদন করেছেন। তাঁর কথায়, “পরিস্থিতি কোভিডের মতো। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি দেশকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছিলেন। এই পরিস্থিতি সামলানোর জন্যও উনি যোগ্য।” তিনি কমিশনে অন্তত কয়েকজন মন্ত্রীকে যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছেন। কারণ এই দূষণ শুধু দিল্লি নয়, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব ও রাজস্থানের মতো অন্যান্য রাজ্যেও ছড়িয়ে পড়ছে এবং জনস্বাস্থ্যকে বিপন্ন করছে।
তাপমাত্রার দিক থেকে, চলতি নভেম্বর রাজধানীর জন্য গত পাঁচ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শীতল। গড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গত বছরের ১৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ২০২৩ সালে গড় ছিল ১২ ডিগ্রি, ২০২২ সালে ১২.৩ ডিগ্রি এবং ২০২১ সালে ১১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।






