দেশ

অন্ধ্রে মান্থার ধ্বংসলীলায় লাগাম! দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়, বৃষ্টি অব্যাহত

জানানো হয়েছে যে আগামী ৫-৬ ঘণ্টার মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হবে মান্থা।

Truth Of Bengal: গোটা অন্ধ্রপ্রদেশ জুড়ে মান্থার জেরে যেন তাণ্ডব চলছিল। ধারাবাহিক বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার ফলে চাপে পড়ে গিয়েছিল জীবনযাপন। কিন্তু আস্তে আস্তে কমছে এর প্রভাব। আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এখন তা দুর্বল হয়ে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড়ে। যদিও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনও কমেনি বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া। তবে জানানো হয়েছে যে আগামী ৫-৬ ঘণ্টার মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হবে মান্থা।

আবহাওয়া দফতরের কর্তাদের বক্তব্য, ঘূর্ণিঝড় মান্থা লোকেটেড ছিল পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিমে নরসাপুর থেকে প্রায় ২০ কিমি, উত্তর-পূর্বে মছলিপত্তনম থেকে ৫০ কিমি এবং পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে কাঁকিনাডা থেকে প্রায় ৯০ কিমি। স্থলে আসার পর থেকেই শক্তি কমতে থাকে ধীরে ধীরে। তাদের এক্স হ্যান্ডেলে আইএমডি লিখেছে, “সর্বশেষ পর্যবেক্ষণ থেকে দেখা গিয়েছে, মছলিপত্তনম ও কলিঙ্গপত্তনমের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে মান্থা পেরিয়ে গিয়েছে কাঁকিনাড়া।”

জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকটি গাছ উপকূলীয় এলাকায় উপড়ে পড়েছে। এক মহিলা প্রাণ হারিয়েছেন কোণাসীমা এলাকায়। একটি গাছ পড়ে যায় তাঁর বাড়ির উপর। এখানেই শেষ নয়, গুরুতর জখম হন সেই এলাকারই একজন নাবালক ও অটোচালক। টানা ৩২ ঘণ্টা ধরে বৃষ্টি হচ্ছে নেল্লোরে। বন্যার সতর্কতা জারি করা হয়েছে নীচু এলাকায়।

বিমান চলাচলের ক্ষেত্রেও ডিসরাপশন দেখা গিয়েছে। একাধিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে বিশাখাপত্তনম বিমানবন্দরে, বিজয়ওয়াড়ায় এবং তিরুপতিতে। এখানেই শেষ নয়, বহু ট্রেন বাতিল পর্যন্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, রাজ্যজুড়ে একাধিক ত্রাণ শিবির খোলার পাশাপাশি মোতায়েন রয়েছে এনডিআরএফ ও এসডিআরএফ। রাজ্যের ২২ জেলায় সম্ভাবনা রয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়ার। ১৪৪৭টি আর্থমুভার, ৩২১টি ড্রোন ও ১০৪০টি চেইন করাত প্রস্তুত রাখা হয়েছে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের জন্য।

Related Articles